তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনেও কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৩৪টি প্রকল্পের উদ্ভোধন করেন তিনি। তার বক্তব্যতে পরিষ্কার উত্তরবঙ্গের আটটি জেলার সামগ্রিক উন্নয়নেও তিনি কতটা আন্তরিক। ভৌগোলিক দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্তরের এই আটটি জেলা যে অবহেলিত ছিল বাম আমলে বলে ক্ষোভ অধিকাংশ এলাকাবাসীর।পৃথক রাজের দাবিতে একসময়কার রক্তক্ষয়ী আন্দোলন এই এলাকার উন্নয়নের আশাটুকু বিলীন হয়ে যায় বামফ্রন্টের শাসনকালের শেষপ্রান্তে।
২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উত্তরবঙ্গে উন্নয়নের মূল স্রোতে মিশিয়ে দিয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পাহাড় থেকে সমতলে বারবার গিয়ে সমস্যা প্রত্যক্ষ করে তার নির্দেশে কার্যকর উন্নয়নের ধারা।শিলিগুড়ির ফুলবাড়ী হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে পরিসেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকেই তিনজেলার ২লক্ষ পরিবারকে রাজ্য সরকারের জন কল্যান মুখী প্রকল্পের সুবিধে তুলে দেন।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন।উত্তরের তিন জেলার ১০টি ভ্রাম্যমাণ সুফল বাংলার ন্যায্য মূল্যে সবজির গাড়ি ও বিপনন কেন্দ্রের মঞ্চ থেকে উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সবুজ পতাকা হাতে এদিন মঞ্চ থেকেই উত্তরবঙ্গ থেকে দশ কোটি টাকা বরাদ্দে ৬টি উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার ভলবো বাসের উত্তরের জেলা গুলি থেকে দিঘা পর্যন্ত সরাসরি যাত্রার সূচনা করেন।এদিন মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার তিন জেলার নাগরিকদের জন্য ছিলেন দরাজ হস্ত।জলপাইগুড়িতে ১০কোটি টাকা বরাদ্দে ৩০ শয্যার হাসপাতালের উদ্বোধন হয়।জয়গাঁও ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি একটা পানীয় জল প্রকল্পের কাজ করছে যার ৯৪কোটি টাকা সরকার বরাদ্দ করেছে।চা সুন্দরী প্রকল্পের ২০কোটি ২০লাখ টাকা গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।
শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্জ্য অপসারণ ও প্রক্রিয়াকরন করে পুনরুজ্জীবনে ৪৭কোটি ১৫লাখ ব্যয় বরাদ্দ করেছে রাজ্য।ডাবগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের কাজ চলছে। আরও ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।জল্পেশ মন্দিরে ৫ কোটি টাকা দিয়ে স্কাই ওয়াক করে দেওয়া হয়েছে।দেবী চৌধুরানী মন্দির সংস্কার হয়েছে। ওয়েবেল পার্কে ডেটা সেন্টার হচ্ছে। এসআইপি পার্ক হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার হবে।হাজার কোটি টাকা দিয়ে উত্তরবঙ্গে রাস্তা নির্মাণ হয়েছে।নতুন ব্রিজ হয়েছে ২২টি।





