- Advertisement -spot_img
Homeখেলা৫৩-য় পা দিলেন সৌরভ

৫৩-য় পা দিলেন সৌরভ

- Advertisement -spot_img

৫৩ বছরে পা দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। মাঠে হোক বা মাঠের বাইরে, তাঁকে নিয়ে ছড়িয়ে অনেক ‘মহারাজকীয়’ কাহিনি। রইল ড্রেসিংরুমে সৌরভের ‘দাদাগিরি’র আটকাহন। ২০০২-এ ঐতিহাসিক ন্যাটওয়েস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারতীয় দল। তারপর লর্ডসের ব্যালকনিতে সৌরভের সেই জার্সি খুলে ওড়ানো। তবে তিনি চেয়েছিলেন গোটা ভারতীয় দলই যেন একই কাজ করে। পরে সেই গল্পটি ফাঁস করেন রাজীব শুক্লা। নয়ের দশকে ভারতীয় ক্রিকেট উত্তাল হয়েছিল ম্যাচ ফিক্সিংয়ে।

 

সবাই যেন দলের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সময় সৌরভ ও শচীন ঠিক করেন, নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে রক্ষা করবেন। আর পরের ম্যাচে দুজনেই সেঞ্চুরি করেন। ২০০৩-র বিশ্বকাপে সুযোগ পাননি ভিভিএস লক্ষ্মণ। সবার ধারণা ছিল লক্ষ্মণই সুযোগ পাবে। কিন্তু সৌরভ চেয়েছিলেন একজন অলরাউন্ডার দলে থাক। সেই কারণে লক্ষ্মণ বাদ পড়েছিলেন। আর সেই জন্য তিনি ৩ মাস সৌরভের সঙ্গে কথা বলেননি। ২০০২-এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে রাসেল আর্নল্ড বারবার পিচের মধ্যে দিয়ে দৌড়চ্ছিলেন।

 

প্রতিবাদ করেন সৌরভ। তাতে আবার আম্পায়ার ভারতীয় অধিনায়ককে সতর্ক করেন। অবশেষে শ্রীলঙ্কা ড্রেসিংরুমে গিয়ে বিপক্ষ দলকে বোঝান সৌরভ। শ্রীলঙ্কার প্লেয়াররা আশ্বস্ত করেন যে, বিষয়টা বেশিদূর যাতে না গড়ায়। ৭ জুলাই ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্মদিন। তাঁর উত্থানও সৌরভের অধিনায়কত্বে। ২০০৫-এ ধোনিকে তিন নম্বরে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সৌরভ। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, লোয়ার অর্ডারে কেউ প্লেয়ার বড় প্লেয়ার হতে পারে না। একই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বীরেন্দ্র শেহওয়াগের সঙ্গে।

 

২০০৫-০৬ সালে কাউন্টি ক্রিকেট খেলছিলেন পাকিস্তানের সাকলিন মুস্তাক। দীর্ঘ চোট সারিয়ে ফিরে আসার আগে পাক স্পিনার কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। সেই সময় সৌরভ সাসেক্সের ড্রেসিং রুমে আসেন। কফি হাতে মুস্তাকের সঙ্গে চোট, পরিবার, সব নিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেন। সৌরভের ব্যবহারে অবাক হয়েছিলেন মুস্তাক। ২০০৮ সালে আইপিএলে কেকেআরের অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ।

 

সেই সময় তিনি যে পেপটক দেন, তা বহু পরে ভাইরাল হয়। সেখানে তিনি নিজের ক্রিকেট জীবনের উত্থানপতনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে বলেন, “জীবনে কখন সুযোগ আসবে কেউ জানে না। কিন্তু আমি মনে করি, বন্ধ দরজার পিছনে একটা আলোর রেখা থাকে। ২০২৩-এ প্লে অফে ওঠার জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসকে সব ম্যাচ জিততে হত। ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেট ডিরেক্টর সকলকে বলেন, যোগ্যতা অর্জন করুক বা না করুক, সবাই যেন গর্বের সঙ্গে খেলে। নিজেদের যেন সেরাটা দেয়।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here