- Advertisement -spot_img
Homeরাজনীতিচাপড়ায় তৃণমূল নেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা সহ আরও তিন

চাপড়ায় তৃণমূল নেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা সহ আরও তিন

- Advertisement -spot_img

এবার নদিয়ার চাপড়া ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নির্যাতিতার দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন এক ভিলেজ পুলিশ এবং আরও তিন জন, যাদের একজন স্থানীয় তৃণমূল নেতা। চারজনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে অভিযোগ করার পর থেকেই আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে নির্যাতিতার। তাঁর দাবি, দলেরই কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা তাঁকে মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ দিচ্ছেন।

 

নির্যাতিতার স্বামী বাড়িতে থাকেন না। মা ও মেয়ে সহ তিনি থাকেন বাড়িতে। ঘটনার রাতে তিনি একা ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে মদ্যপ অবস্থায় অভিযুক্ত ভিলেজ পুলিশ তাঁর পথ আটকায় এবং অশালীন প্রস্তাব দেয়। তা প্রত্যাখ্যান করলে, সে মহিলা শরীরে হাত দেওয়া শুরু করে এবং জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কোনওরকমে তিনি দৌড়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করেন। অভিযুক্তরা তখনও পিছু হটে না। তারা দরজায় লাথি মারতে থাকে।

 

ঘরের ভিতর থেকে তিনি মেয়েকে থানায় ফোন করতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন তৃণমূল নেতা রয়েছে বলেই অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এরপর শুরু হয় আরও বড় বিপদ।অভিযোগকারিণীর দাবি, তাঁকে টেলিফোনে হুমকি দিতে শুরু করেন তৃণমূলের ব্লক স্তরের এক সাধারণ সম্পাদক এবং এক প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের আত্মীয়। মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য তাঁদের তরফে চাপ আসতে থাকে। অভিযুক্ত নেতাদের একজন ঘটনার পর থেকে এলাকা ছেড়ে পলাতক। ভয়ে কাঁটা নির্যাতিতা এখন মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছেন না।অন্যদিকে, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন জানিয়েছেন, বিষয়টি নিছক ভুল বোঝাবুঝি।

 

তাঁর দাবি, কোনও বড় ধরনের ঘটনা ঘটেনি, এবং অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্ত ভিলেজ পুলিশকে ডিমোবিলাইজ করা হয়েছে। তৃণমূলের এক বিধায়ক জানান, অভিযুক্তরা দলের হোক বা বাইরের, অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, পুরো ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেই মনে করছে বিরোধীপক্ষ। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতা, মানসিক চাপ ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন নির্যাতিতা।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here