শনিবার মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে একুশে জুলাই এর সমর্থনে মেদিনীপুর শহরে ঐতিহাসিক মহা মিছিলের আয়োজন করা হয়। ওই মহা মিছিলে শামিল হয়েছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী সাংসদ সায়নী ঘোষ,মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জুন মালিয়া, তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেল এর রাজ্য সভাপতি দেবাংশু ভট্টাচার্য, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃনাঙ্কুর ভট্টাচার্য ,
রাজ্যের ক্রেতা ও সুরক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো,মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা মেদিনীপুর এর বিধায়ক সুজয় হাজরা ও চেয়ারম্যান তথা খড়্গপুর গ্রামীনের বিধায়ক দীনেন রায়, নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট, দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম চন্দ্র প্রধান, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ সিংহ সহ আরো অনেকে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে মহা মিছিলে মানুষের উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মতো। কয়েক হাজার মানুষ ওই মহামিছিলে সামিল হয়েছিলেন।
ওই মহা মিছিল থেকে একুশে জুলাই কোলকাতার ধর্মতলায় শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানান তৃণমূল কংগ্রেসের ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এবং তৃনমূল ছাত্র পরিষদের সকল নেতৃত্বরা। মহা মিছিলের শেষে মেদিনীপুর কালেক্টর মোড় এলাকায় সভার আয়োজন করা হয়।ওই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বরা বক্তব্য রাখেন। ওই সভা থেকে একুশে জুলাইয়ের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন সাংসদ থেকে মন্ত্রী,বিধায়ক ও তৃণমূল কংগ্রেস,তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বরা।
সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা সত্ত্বেও বাংলার উন্নয়নে যেভাবে কাজ করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রশংসা করেন নেতৃত্বরা। তাই ওই সভা থেকে আগামী একুশে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে এবং দলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে যাওয়ার আহ্বান জানান সভায় উপস্থিত নেতৃত্বরা।





