গুরুগ্রামে নিজের বাড়িতে বাবার করা গুলিতে ঝাজরা হয়ে যাওয়া রাধিকার মৃত্যু রহস্যের জাল আরো ঘনীভূত হচ্ছে। কমেন্টকারী পুলিশ অফিসারেরা তার বাবা দীপক যাদব কে ইতিমধ্যে কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। কিন্তু এক এক সময় এক এক ধরনের উত্তর দিচ্ছেন। পুলিশের ধারণা তোদের থেকে গুলিয়ে দিতে রাধিকার বাবা এই নাটক করছেন।
পুলিশ জানতে পেরেছে রাধিকার কোন টেনিস আকাদেমি নেই। গুরুগ্রাম অথবা তার সংলগ্ন এলাকায় টেনিস কোর্ট ভাড়া নিয়ে তিনি ছেলেমেয়েদের টেনিস শেখাতেন।
কিন্তু এসবের মধ্যেই সমাজ মাধ্যমে রাধিকা এলভি যাদবের বিভিন্ন পোস্ট দেখে অনুপ্রাণিত হন। বাড়িতে তিনি সে কথা বলেও ছিলেন। গ্রামের ছেলে। তাই দেখাও করতে যান। একটা যোগাযোগ তৈরি হয়। এর মধ্যেই রাধিকার তার পরিবারকে জানায় টেনিস খেলতে পারবো না।
কারণ পিঠে এবং কাঁধে আঘাত রয়েছে। এই অবস্থায় খেললে আরো অবনতি ঘটবে। এরপর রাধিকা বাড়িতে বলে ঋণ বানিয়ে সে আরও বেশি টাকা রোজগার করবে। এরপর ইমাম উল হক এর সঙ্গে পরিচয় হয়। তার সঙ্গে বেশ কয়েকটি গানের ভিডিও তৈরি করেন। ইনাম উল হক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন আমার সঙ্গে দুবার মাত্র দেখা হয়েছে একবার আমার এক পরিচিত দিল্লিতে দেখা করাতে নিয়ে আসে। আরেকবার ভিডিও শুটিংয়ের সময়।
তবে ও চেয়েছিল অভিনয় করতে। আমার প্রডিউসার ও বলেছিল ওর স্ক্রিনশট ভালো। তাই ভিডিও শুট হয়। এর বেশি কিছু নয়।
এলভিস যাদব বলেছেন প্রতিটি শুটিংয়ের সময় রাধিকা তার মাকে নিয়ে যেতেন। ভিডিও দেখার পর তার বাবাও প্রশংসা করতেন।কিন্তু তারপর এই ঘটনা কিভাবে হল বুঝতে পারছে না। পুলিশ রাধিকার মা, ভাই ও কাকা এবং কাকিমা কে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।এই তালিকায় বাড়ির কাজের লোকও রয়েছে।





