রাস্তা বন্ধ করে আর কতদিন রাজনৈতিক কর্মসূচি চলবে? সভা সমাবেশ নিয়ে বিরক্ত বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এই প্রশ্ন তুলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের একুশে জুলাই এর কর্মসূচি নিয়ে বেশ কয়েকজন নাগরিক কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ ঐদিন গোটা শহর অচল হয়ে যায়।
যাতায়াত করতে পারা যায় না। এমনকি অসুস্থ রোগীরাও হাসপাতালে যেতে পারেন না। এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবীকে বলেন আগামী বছর থেকে আপনারা শহীদ মিনার, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড অথবা অন্য কোথাও এই সমাবেশ করার কথা ভাবুন। কারণ এইভাবে চলতে পারেনা। এখন সবার প্রস্তুতি শেষ পর্বে। তাই ওই সভার সরানোর জন্য আমি কোন নির্দেশ দিচ্ছি না। কিন্তু আগামী বছর আপনারা বিকল্প জায়গার কথা ভাবুন।
এরপর তৃণমূলের আইনজীবী বলেন এই জায়গাটি জুড়ে দলের কর্মীদের আবেগ রয়েছে। তখন বিচারপতি বলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন জায়গা নিয়ে আবেগ রয়েছে। এই যুক্তি খাটে না। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন আমি আগেও বহুবার বলেছি রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচলের জন্য জায়গা রাখতে হবে। আমি কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বলবো যে তিনি কি মুচলেকা দিতে পারবেন কোর্টের কাছে ঐদিন কলকাতায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে কোন মামলা হবে না?
এর কোন উত্তর অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী দিতে পারেননি। হাইকোর্ট এদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার কে নির্দেশ দিয়েছেন একুশে জুলাই কি কি ব্যবস্থা থাকছে যানবাহন চলার জন্য। আদালত এইসব পর্যবেক্ষণ করার পর কয়েকটি শক্ত দিয়ে পরবর্তী নির্দেশ দেবেন। শুক্রবার কলকাতা পুলিশকে বিচারপতি তার এজলাসে ট্রাফিক ব্যবস্থার রিপোর্ট পেশ করতে বলেছেন।





