একুশে জুলাই পাশাপাশি সামনে ২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন অব্যাহত, কখনো বিজেপি আবার কখনো সিপিএম কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগদান। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় একুশে জুলাই উপলক্ষে জমজমাট প্রচার করলেন তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের একুশে জুলাই প্রচার উপলক্ষে মহিলা কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নির্দেশে গোপালপুর দুই নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে গোপালপুর বটতলা সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের জমজমাট প্রচার। সোমবার একুশে জুলাই-এর সভা, তার আগে জমজমাট শেষ প্রচার। এদিনই শেষ প্রচার মঞ্চে প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী যোগদান করল তৃণমূলে।
তৃণমূলের যোগদান করার পর বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন, তারা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের উন্নয়নে শামিল হতে যোগদান করেছেন। এলাকার সমগ্র মহিলা কর্মীদের নিয়ে প্রচারে সামিল হয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন হাড়োয়া বিধানসভার বিধায়ক শেখ রবিউল ইসলাম, হাড়োয়া এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শফিক আহমেদ, হাড়োয়া এক নম্বর ব্লক যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আরশাফুল আমিন বুলবুল, গোপালপুর দুই নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি কামারুল সরদার।
অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জাফর আলি মন্ডল। অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল মন্ডল। পঞ্চায়েতের সঞ্চালিকা কাবিরা বিবি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অঞ্জনা গোলদার সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও শতাধিক বিজেপি কর্মী যোগদান কে তীব্র কটাক্ষ করেছেন এলাকার বিজেপি নেতা রাজেন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, এটা তাদের সাজানো নাটক, সবই তাদের কর্মীর হাতে পতাকা ধরিয়ে বিজেপি কর্মী বানাচ্ছেন, এই যোগদান কে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব।





