পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ও কেশপুর ব্লকের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছে তমাল নদী। তমাল নদীর একপাশে শালবনি ব্লকের বাঁকিবাঁধ অঞ্চলের বাঁশবান্দি গ্রাম, অপরদিকে কেশপুর ব্লকের কাঁটামৌলি গ্রাম। কিন্তু তমাল নদীর উপর কোন সেতু না থাকায় ওই দুটি ব্লকের প্রায় দশটি গ্রামের বাসিন্দাদের বাঁশের মাচার উপর দাঁড়িয়ে ও বসে দড়ি ধরে নদী পারাপার করতে হয়।
এলাকার বাসিন্দারা যার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন। এছাড়াও ওই বাঁশের মাচার উপর বাইক নিয়ে দড়ি ধরে বাইক আরোহীরা নদী পার হয়ে যাতায়াত করেন। শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী বাঁশের মাচার উপর বসে দড়ি ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পেরিয়ে স্কুলে যাতায়াত করেন। সাইকেল নিয়ে বাঁশের মাচা পেরিয়ে যাতায়াত করতে খরচ পড়ে পাঁচ টাকা এবং বাইক নিয়ে যাতায়াত করলে খরচ হয় দশ টাকা।
তবে ভারতের স্বাধীনতার ৭৮ তম বর্ষ পেরিয়ে গেলেও তমাল নদীর উপর এই এলাকায় পাকা সেতু না হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন। এলাকায় তমাল নদীর উপর পাকা সেতু তৈরি হলে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার সাথে খুব কম সময়ে শালবনি সহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারবেন বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রশাসনকে বহুবার জানানো সত্বেও তমাল নদীর উপর পাকা সেতু তৈরি না হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন।





