চলতি জুলাই মাসে পরপর তিনবার বন্যা হয়েছে ঘাটাল মহকুমা জুড়ে। এখনো ঘাটালের বেশ কিছু এলাকা বন্যার জলে ডুবে রয়েছে। চলছে ত্রাণ শিবির, দুর্গত মানুষদের ত্রাণ দেওয়ার কাজও চলছে। ঠিক সেই মুহূর্তে বৃহস্পতিবার ফের আকাশের মুখ ভার, শুরু হয়েছে বৃষ্টি।
নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় এবং আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে একটানা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে ঘাটাল মহকুমার বাসিন্দারা। ফলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা এক ও দুই, চন্দ্রকোনা ১ ও ২, ঘাটাল, দাসপুর এক ও দুই এবং কেশপুর ব্লকের বাসিন্দারা ফের বন্যার কবলে পড়ার আশঙ্কা করছেন। এছাড়াও ঘাটাল, খড়ার পৌরসভার এলাকার বাসিন্দারও বানভাষী হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ধীরে-ধীরে বন্যার জল কমছে, অনেকেই ত্রাণ শিবির থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন, তারা ফের বাড়ি ছাড়া হওয়ার আশঙ্কা করছেন। ঘাটালের বাসিন্দা বিকাশ রায় বলেন, এটা ঘাটালের মানুষের কাছে নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৮২ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে প্রথম ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের শিলান্যাস হয়েছিল। কাজের কাজ কিছু হয়নি। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে টানাপোড়ন চলছে। এই অবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলতি বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু করার জন্য বরাদ্দ করেছেন।
কিছু কাজ শুরু হয়েছে। তবে কবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণ হবে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ঘাটাল মহকুমার বাসিন্দারা। যদি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ না হয়, তাহলে আগামী দিনে ঘাটাল মহকুমাবাসীকে আরো চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, আমরা আশাবাদী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিলে কথা রাখেন। তাই কেন্দ্র সরকার অর্থ বরাদ্দ না করলেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য তিনি অর্থ বরাদ্দ করে প্রমাণ করেছেন রাজ্য সরকার ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণ করবে।





