ভারতীয় রেলে বেসরকারীকরণ নীতি বহু আগেই চালু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনে সাফাই কর্মী থেকে শুরু করে যারা ঘোষণা করেন তাদেরকেও চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে। সাফাই কর্মীদের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। কয়েকটি স্টেশনে আবার টিকিট কাটার ভেন্ডিং মেশিন ও বসিয়ে দেয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও আবার পাড়ায় পাড়ায় টিকিটের কাউন্টার খুলে দেওয়া হয়েছে।
আর এবার মেট্রো রেল বেসরকারি হাতে তুলে দেয়ার জন্য দরপত্র চাইল ভারতীয় রেল। প্রথম পর্যায়ে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোতে এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে চলেছে। এই বেসরকারি করনে রেল বোর্ড অনুমতি দিয়েছে। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোতে ১৫ কিলোমিটার পথ রয়েছে। দিল্লি মেট্রো কর্পোরেশন প্রথম থেকেই ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো চালানোর জন্য কোথাও দেখিয়েছে। টেন্ডারেও তারা আবেদন জানিয়েছে। এটা ঠিক দেশের মধ্যে দিল্লি মেট্রো কর্পোরেশনের অভিজ্ঞতা রয়েছে মেট্রো চালানোর জন্য।
তবে এই বেসরকারিকরণ হলে কর্মী নিয়োগ থেকে শুরু করে টিকিটের দাম তারাই নির্ধারণ করবে। এক্ষেত্রে একতরফাভাবে তাদের এই সিদ্ধান্ত কতটা যাত্রী স্বার্থে থাকবে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এখন থেকেই।মেট্রো রেলের বামপন্থী শ্রমিক ইউনিয়ন এখন থেকেই ওই বেসরকারীকরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ মেট্রোতে কর্মী সংখ্যা কমানো হচ্ছে। এর ফলে উন্নত মানের পরিষেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। মেনটেনেন্স বিভাগে একাধিক কর্মীর অভাব। মেট্রো যেখানে লাভ করছে সেখানে কেন বেসরকারিকরণ হবে?





