রাজনৈতিক মহল মনে করছে বিহারের পরে বাংলাতেও ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন আগে ঘোষণা করেছে। এজন্যই এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা প্রতিটি বাড়ি গিয়ে গিয়ে এই সমীক্ষা করবে। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী বিহারে ৫৬ লক্ষ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন তারা নিজেরাই বাংলা ১৭ লক্ষ ভোটার বেআইনি হিসেবে রয়েছে।
তাদের তালিকা তারা রাজ্য নির্বাচন কমিশন কে জানিয়েও দিয়েছেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের প্রধান অফিসার বলেন প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। কবে থেকে এবং কোন কোন জেলা দিয়ে অথবা একসঙ্গে সব জেলায় এই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হবে কিনা সে সম্পর্কে এখনো কোনো নির্দেশ আসেনি। তবে আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। এজন্যই বি এল ওদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভার্চুয়ালি বৈঠক করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
কিছুদিন আগে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি আশুতোষ এম মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে চিঠি দিয়ে রাজ্য নির্বাচনের অফিস নিরপেক্ষ ভাবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। ওই চিঠিতে তারা বলেছেন স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য উন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের অধীনে রাজ্য নির্বাচন কমিশন থাকতে পারেন না। কমিশনের প্রধান হচ্ছেন একজন প্রধান সচিব। আইএএস পদমর্যাদার। আর যাদের নিয়ন্ত্রণে থাকছেন তারা নিচু স্তরের আইএএস কর্মী। এটা হতে পারে না। তাই নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে একটি নিরপেক্ষ অফিসের মর্যাদা দেয়া হোক। মুখ্য সচিব ঐ চিঠি পেলেও এখনো পর্যন্ত রাজ্য সরকারের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
তবে বিহার নিয়ে যে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে পাল্টা বক্তব্য পেশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দেশের জাতীয় কমিশনের প্রধান জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট বলেছেন যারা অন্য দেশের নাগরিক এবং যারা মৃত তাদের আমরা কিভাবে ভোটার তালিকায় নাম রেখে দেবো। এছাড়া বিহার থেকে বহু মানুষ অন্যত্র চলে গিয়েছেন। সব রাজ্যের তারা ভোটার হয়েছেন।অনেকে আবার বিদেশে গিয়ে নাগরিকত্ব নিয়ে নিয়েছেন সেই সব দেশের।এই অবস্থায় তাদের কিভাবে আমরা ভোটাধিকার দেব।





