রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য সচিব মনোজ পন্থকে ঐ চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি। এবার স্বাধীন সংস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে রাজ্য সরকারের অফিস থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস রয়েছে এরকম কোন বিল্ডিংয়ে ওই অফিস নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এজন্য জায়গার খোঁজ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিস নিরপেক্ষ জায়গায় তুলে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস রয়েছে এরকম জায়গা খোঁজা হচ্ছে।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনীয় আধিকারিক জানিয়েছেন গত কয়েক বছরে নির্বাচন কমিশনে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে। কর্মীদের বসা স্থানের অভাব রয়েছে। এছাড়া স্ট্যান্ড রোডে বামার লরি বিল্ডিং এ বর্তমানে কমিশনের অফিস। এখানে পার্কিংয়ের বড় সমস্যা। শুধু কর্মীদেরই নয়, বহিরাগত যারা আসেন তাদের গাড়ি রাখা নিয়ে সমস্যা হয়। এজন্য অন্যত্র অফিস সরাতেই হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন্দ্রীয় সরকারের ভবনে কেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তর যাবে। আসলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঠিক করে নিয়েছেন এ রাজ্যের নির্বাচনী দপ্তরকে নিরপেক্ষভাবে রাখা হবে। এজন্যই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অপরদিকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেশ কিছু অফিসারের নাম চাওয়া হয়েছিল। অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচন অফিসার। যুগ্ম নির্বাচন অফিসার এরকম একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে শনিবার রাজ্য সরকারের তরফে কমিশনের কাছে একাধিক নাম পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওইসব অফিসারদের তালিকায় রয়েছেন বিধান নগর পুরসভার সচিব, পঞ্চায়েত দপ্তরের উপসচিব সহ বেশ কয়েকজনের নাম। এরা প্রত্যেকেই ডাবলু বি সি এস পদমর্যাদা অফিসার।
তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কি কি করে নিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ পরিচয় তৈরি করবেন। এজন্য তারা মুখ্য সচিব কে চিঠি দিয়ে বলেছেন অর্থ দপ্তর, স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পার্বত্য উন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের অধীনের বাইরে আনতে হবে। কারণ ওইসব দপ্তরের সচিবরা পদমর্যাদায় রাজ্য নির্বাচন অফিসারের থেকে নিচে। তাই ওইসব দপ্তরের অফিসারেরা কিভাবে নির্দেশ দেবেন একজন অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদমর্যাদার অফিসার কে। তবে এসবের মধ্যে বিএল ওদের প্রশিক্ষণ চলছে। দিল্লি ছাড়াও নজরুল মঞ্চে এই প্রশিক্ষণ হচ্ছে ভার্চুয়ালি।





