নগদ কান্ড নিয়ে বিচারপতি যশবন্ত বর্মার আবেদনের শুনানি শুরু হবে আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টে।প্রধান বিচারপতি বি আর গাবাই ওই মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। পরিবর্তে তিনি দুই সদস্যের একটি বেঞ্চ তৈরি করে দিয়েছেন।ওই বেঞ্চে থাকছেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহার।
প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নগদ কান্ড নিয়ে একটি তদন্ত করান। ওই তদন্ত কমিটি মুখ বন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করেন। এরপর গোটা বিষয়টি পড়ার পর তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট করানোর সুপারিশ করেন। ইতিমধ্যে নিয়ম মেনে রাজ্যসভার ৫০ জন এবং লোকসভার 100 জন সদস্য দলমত নির্বিশেষে ওই ইমপ্লিটমেন্টে নোটিসে ওই করেছেন। প্রধান বিচারপতির এই মামলা থেকে সরে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বলেছেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি আমার সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তাই আমি ওই বিচার প্রক্রিয়ায় থাকতে পারিনা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য। তাই পৃথক বেঞ্চ তৈরি করা হয়েছে
বিচারপতি বর্মা মুখ বন্ধ করা খামে যে রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার কাছে পেশ করা হয়েছিল তাকেই চ্যালেঞ্জ করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত মুখ বন্ধ করার খামের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসিনি। এ বছর দোলের দিন বিচারপতি বর্মার দিল্লির সরকারি বাড়িতে আগুন ধরে যায়।
ডোমকল দিয়ে আগুন নেভায়।কিন্তু আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল দেখে একটি গুদামে রাশি রাশি নোট সাজানো রয়েছে। গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে। শুরু হয় তদন্ত। আই বহির্ভূত ওই টাকার কোন হিসাব বিচারপতি বর্মা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এরপরই তার বিরুদ্ধে ইমপিটমেন্ট বা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর এসবের মধ্যেই বিচারপতি বর্মা সুপ্রিম কোর্টে নিজেই বিচার প্রার্থী হয়ে গেলেন।





