মানুষের সুবিধার্থে তৈরি হওয়া মেলবন্ধন সেতুই ভরা বর্ষায় মানুষের দুর্ভোগের কারণ। যা কার্যত স্বীকার করছে গুসকরা পৌরসভার পৌর প্রধান কুশল মুখার্জি। গুসকরা শহরের মধ্যেু দিয়ে কুনুর নদী চলে গিয়েছে। ফলে সেতুর উত্তরদিকে রয়েছে পুরসভার ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড। আর বাকি ১৪টি ওয়ার্ড রয়েছে নদীর দক্ষিণ দিকে। ফলে সেদিকেই রয়েছে বাজার, হাট, স্কুল, কলেজ সহ সমস্ত অফিস কাছারি।
তাই উত্তরদিকে দুটি ওয়ার্ড ও বেশ কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বছর খানেক আগে গুসকরার শিববাগান এলাকায় পুরসভার তরফে তৈরি করা হয়েছিল ‘মেলবন্ধন’ সেতু। পাইপ বসিয়ে ভাসাপুলের ন্যা য় সেতুটিকে তৈরি করা হয়। যা ভরা বর্ষায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রধান কারণ। বর্ষায় জলের সাথে বয়ে আসা নোংরা আবর্জনা আটকে বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে গুসকরা, আউসগ্রাম ও বন নবগ্রামের নদীর তীরবর্তী এলাকায়। বিঘার পর বিঘা চাষের জমি ডুবে থাকছে জলের তলায়। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সবজি চাষীরা। মানুষের অভিযোগ, পৌরসভার যথাযথ পরিকল্পনার অভাবের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
যা এক প্রকার স্বীকার করে নিয়েছে গুসকরা পৌরসভার বর্তমান পৌরপ্রধান কুশল মুখার্জি। বেশ কিছুদিন ধরে মেলবন্ধন সেতু জলের তলায় থাকার জন্য আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ সম্ভব হয়নি, কিছুটা জল নামতেই বৃহস্পতিবার দেখা গেল পৌর কর্মচারীদের সাথে ব্রিজের আবর্জনা পরিষ্কার করতে পৌর প্রধানকে। তিনি জানান, পরিকল্পনা সঠিক হলে মানুষকে এই দুর্ভোগ সহ্য করতে হতো না। তিনি আরো জানান, পরবর্তীকালে এই সেতুটি পুনর্নির্মাণের কথা ভাবছে পৌরসভা।





