কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে সবক শেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার সমন্বয়ে হচ্ছে না বলে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি অভিযোগ তুলেছিলেন।এরপরই কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় চিফ হুইপ পদ থেকে ইস্তাফা দেন।এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করে তাকে বলেন আমি ৭ তারিখ দিল্লি গিয়ে কথা বলে সব ব্যবস্থা নেব। তার মধ্যে আপনি কাজ চালিয়ে নিন।
অভিষেকের ওই বার্তা পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার সকালে কল্যাণের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেন। সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করে দেয় লোকসভায় দলের চিফ হুইপ হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ডেপুটি লিডার হয়েছেন শতাব্দী রায়। এই ঘোষণা করার পরেই সমাজ মাধ্যমে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় আবারো আক্রমণ করেন মহুয়া মৈত্রকে। তিনি বলেন যখন তার সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছিল তখন আমি তার পাশে থেকে লোকসভায় লড়াই করেছি।
অধ্যক্ষের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছে। আর সেই মহুয়া মৈত্র আমাকে নারী বিদ্বেষী বলে আক্রমণ করেছেন। কু কথা বলেছেন প্রকাশ্যে। দল কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনরকম ব্যবস্থা নিল না। কল্যান আগেই বলেছেন দিদি বোধহয় মনে করছেন এখন আর আমার প্রয়োজন নেই দলে। তাই এইসব কথা বলেছেন। তবে কল্যাণ মহুয়াকে এই আক্রমণ করলেও পাল্টা আক্রমণ করেছেন মহুয়া মৈত্র। এদিনও তিনি বলেছেন খারাপ প্রাণীর সঙ্গে ঝগড়া করতে নেই। তাহলে কাদা আমাদের গাই লাগবে।





