পুরশুড়া টানা বৃষ্টির জেরে প্লাবিত বিঘার পর বিঘা চাষ জমি। নিকাশী ব্যবস্থা বেহাল হওয়ার জেরে ফসলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পুরশুড়ার একাধিক গ্রামে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃষ্টির মধ্যেই বিডিও অফিসে গ্রামের মানুষ। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পুরশুড়ার কেলেপাড়া, সোয়ালুক, বৈকুন্ঠপুর সহ একাধিক এলাকার বৃষ্টির জল পুরশুড়া ১ নম্বর পঞ্চায়েতের জঙ্গলপাড়া গ্রামের বিঘার পর বিঘা চাষের জমি প্লাবিত হয়ে পড়েছে। জমিতে থাকা ফসল জলের তলায়। এলাকাবাসীদের দাবি, এই পরিস্থিতির জন্য নিকাশী ব্যবস্থার বেহাল দশা একমাত্র কারণ। তাই নিকাশী ব্যবস্থা দ্রুত সচল করতে এবার পুরশুড়া বিডিও অফিসের দ্বারস্থ এইসমস্ত গ্রামের মানুষ।
বৃষ্টি মাথায় নিয়েই গ্রামের মানুষ ব্লকের আধিকারিকদের সাথে দেখা করতে এলেও দেখা মেলেনি পুরশুড়া বিডিও সহ অধিকাংশ আধিকারিকদের বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, টানা বৃষ্টির জেরে এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে, নিকাশী বেহাল হওয়ায় জমিতে জল জমে ঢুবেছে ফসল। এদিকে নিকাশী ব্যবস্থা না থাকায় জমা জল ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই দ্রুত জল নিকাশী ব্যবস্থা সচল করতে হবে। এলাকাবাসীদের আরো অভিযোগ, গত কয়েকবছর আগে আরামবাগ-ডানকুনি রাজ্যসড়ক সম্প্রসারণ ও সংস্কার হওয়ার সময় জল নিকাশীর জন্য যে নয়ানজুলি ও স্লুইস গেটগুলি ছিল, তা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই নয়ানজুলি ও স্লুইস গেট গুলি সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষনা করা হলেও কেন এতদিনেও তা করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তুলেছেন এলাকাবাসীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আগেভাগেই বিডিও’কে জানানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি গুরুত্ব দেননি বলে সুর চড়িয়েছে পুরশুড়া পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা। তবে পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন পুরশুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনিশ রঞ্জন মাঝি।





