৯ আগস্ট শনিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন অভয়ার বাবা ও মা। শুভেন্দু অধিকারী কে পাশে রেখে এই অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন তারা। কত বছর ৯ আগস্ট আরজি করে অভয়ার মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। কিন্তু সিবিআই প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করছে বলে অভিযোগ করেছেন অভার বাবা ও মা। ন্যায় বিচার পেতে তারা নবান্ন অভিযান করবেন ।
ওই অভিযানের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা হয়। সেই মামলার শুনানির পর হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস রায় দিয়ে বলেছেন, এইরকম প্রতিবাদের উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। দুই বিচারপতি বলেছেন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে আদালত কখনোই বাধা দিতে পারে না। একই সঙ্গে বিচারপতিরা বলেছেন যারা প্রতিবাদ করবেন তারা যেন আইন মেনে করেন। প্রত্যেক নাগরিকের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তবে দেখতে হবে আন্দোলনের নামে যেন সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি না হয়।
কোথাও যেন হিংসা না ছড়ায়। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং মামলাকারিয়া আইনজীবী প্রত্যেকেই বলেন নবান্ন অভিযান কে ঘিরে হাওড়ার একাংশের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। নবান্ন লাগোয়া একাধিক দোকান এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেছিলেন আগে এই অভিযানকে ঘিরে ৪৭ জন পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে একজনের চোখ নষ্ট। তিনি জানান পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের তিনটি জায়গা বলা হয়েছে।
তাহল হাওড়া ময়দান, মন্দিরতলা এবং বঙ্কিম সেতুর নিচে। কিন্তু আন্দোলনকারীরা মানতে নারাজ। আদালত বলেছে তুমি আন্দোলনকারীদের প্রস্তাব দিতে পারে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যদি হয় সে ক্ষেত্রে বাছা দেয়া যায় না। অর্থাৎ এরপরে নবান্ন অভিযানে আর কোনরকম বাধা রইল না। যদিও এই নবান্ন অভিযানে জুনিয়ার ডক্টরস ফোরাম অংশ নিচ্ছে না।
অভার বাবা এবং মা আবেদন করেছেন যেকোনো রাজনৈতিক দলের নেতা দলীয় পতাকা বাদ দিয়ে এই অভিযানে যোগ দিতে পারেন।
কিন্তু এই অভিযানে শুভেন্দু অধিকারী শামিল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। কারণ অভয়ার বাবা এবং মা সিবিআই তদন্তের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অনাস্থা জানিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ও সিবিআই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জুনিয়র ডক্টর ফেডারেশনের নেতারাও একই কথা বলছেন। তাহলে কিভাবে এই অভিযান হবে। আন্দোলনটা কার বিরুদ্ধে। রাজ্য সরকার তো আর তদন্তকারী এজেন্সি নয়। তদন্ত করছে। আর তাদের দপ্তর সল্ট লেকে। তাহলে কেন নবান্ন অভিযান ?





