- Advertisement -spot_img
Homeকলকাতাচিকিৎসা নিয়ে অভয়ার বাবার বিস্ফোরক অভিযোগ

চিকিৎসা নিয়ে অভয়ার বাবার বিস্ফোরক অভিযোগ

- Advertisement -spot_img

ডাক্তারদের উপরে রাজনৈতিক চাপে রিপোর্ট বদল হয়ে গেল। শনিবার নবান্ন অভিযানে গুরুতর জখম হয় অভয়ার মা। তার বাবাও আক্রান্ত হন। সিটি স্ক্যানের পর অভয়ার মাকে হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য বলেন নিউরো বিশেষজ্ঞ। কিন্তু রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় অভয়ার মাকে ভর্তি করা হচ্ছে না। পরিবর্তে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ভর্তি না করে কিভাবে পর্যবেক্ষণ। এসবের মধ্যেই একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন অভয়ার বাবা। রবিবার তিনি বলেন ডাক্তাররা ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন।

 

কিন্তু রাজনৈতিক চাপে তাদের সিদ্ধান্ত বদল করতে হয়। পর্যবেক্ষণে রেখে আজ সকালে তাকে ছেড়ে দেয়া হয় হাসপাতাল থেকে। আরজি করে খুন হয়ে যাওয়া ওই ধর্ষিতার বাবা রবিবার বলেন আমার স্ত্রী এখন আগের থেকে সুস্থ। হাঁটতেও পারছেন। ডাক্তাররা তাকে আজ হাটিয়েছেন। আমি ছুটি করে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। তবে রাজনৈতিক চাপে মেডিকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার সম্পূর্ণ চিকিৎসা করতে পারল না। এই দুর্ভাগা রাজ্যে আমরা আর কতদিন থাকবো।তবে তিনি বলেছেন এই লড়াই আমাদের চলবে। যতদিন না বিচার পাব।

 

এদিন হাসপাতালে অভয়ার মাকে দেখতে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন , রাজনৈতিক চাপে তাকে ভর্তি করানো হয়নি। যদি অভয়ার মা এবং তার পরিবার চান তাহলে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। সুকান্ত বলেন অভয়ারমা তাকে বলেছেন নবান্ন অভিযানের দিন তিনি সঙ্গে করে রাখি নিয়ে গিয়েছিলেন। পরিয়ে দেবেন পুলিশ কর্মীদের হাতে। কারণ রাখি বন্ধন উৎসব এক পবিত্র উৎসব। কিন্তু পরিবর্তে তাকে পুলিশের লাঠি খেতে হল।

 

জখম হয়ে হাসপাতালে থাকতে হল। অভয়ার মা তাকে বলেছেন পুলিশ আমার হাতের শাখা ভেঙ্গে দিয়েছে। তাই যতদিন না বিচার পাব আমি শাখা পরবো না। অভয়ার বাবার অভিযোগ তার পিঠেও পুলিশ লাঠি মেরেছে। ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। কয়েকটি ঘুষি ও মেরেছে। কিন্তু আমি স্ত্রীকে বাঁচাতে পারিনি ওদের হাত থেকে। লাঠিধারি মহিলা পুলিশ কর্মী আমার স্ত্রীর ঘাড়ে মেরেছে। মাথায় মারতে গিয়ে লাঠির ঘা পড়েছে কপালে। বীভৎস অবস্থায় যা ফুলে গিয়েছিল। মেডিকার ডাক্তাররা জানিয়েছেন আপাতত তিনি সুস্থ। তবে সতর্ক থাকতে হবে চলাফেরায়। নিয়মিত ওষুধও খেতে হবে।

 

অভয়ার বাবার আরো অভিযোগ প্রথমে বলা হয় সিরিয়াস ইনজুরি। পরেরটা মাইনা রে পরিণত হয়। আমি এ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি শুধু বলেছেন আমাদের উপর অনেক চাপ আছে। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে দুজন পুলিশ মোতায়েন করে দেয়া হয়। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি আপনারা এখানে কেন। আমাদের কি নিরাপত্তা দিতে এসেছেন। তারা বলে উপর থেকে নির্দেশ আছে। এর বেশি কিছু আর জিজ্ঞাসা করবেন না।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here