- Advertisement -spot_img
Homeরাজ্যদিল্লিতে প্রাণ হারালেন মুর্শিদাবাদের একই পরিবারের চার শ্রমিক

দিল্লিতে প্রাণ হারালেন মুর্শিদাবাদের একই পরিবারের চার শ্রমিক

- Advertisement -spot_img

দিল্লিতে দেওয়াল চাপা পড়ে একই পরিবারের ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সাংঘাতিক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। রাজধানীতে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মৃত ও আহতরা প্রত্যেকেই মুর্শিদাবাদের নওদার গঙ্গাধারী জোড়তলা এলাকার বাসিন্দা।

টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দিল্লিতে শনিবার ভোরে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। হরিনগরের মোহন বাবা মন্দিরের কাছে একটি পুরনো দেওয়াল ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। নিহতদের মধ্যে তিন যুবক, দুই তরুণী ও দুই নাবালিকা রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রবল বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎই দেওয়ালটি ভেঙে পড়ে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস প্রথমে আটজনের মৃত্যুর কথা জানালেও পরে পুলিশ নিশ্চিত করে, সাতজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন এবং গুরুতর আহত একজনকে দ্রুত সফদরজং হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের, বাড়ি মুর্শিদাবাদের নওদা থানার গঙ্গাধারি জোরতলা গ্রামে। তাঁরা হলেন—রবিউল সেখ, তাঁর স্ত্রী রুবিনা বিবি, হাসিনা খাতুন ও রুকসোনা খাতুন। আহত হাসিবুল সেখ (২৭) ওই একই গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে জীবিকার খোঁজে রবিউল সেখ স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে দিল্লি যান এবং হরিনগরে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। শনিবার সকালে প্রবল বর্ষণের মধ্যেই বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ে তাঁদের উপর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারজনের।

শনিবার রাতে দিল্লির হাসপাতালে পৌঁছান মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ তথা নওদা বাসি আবু তাহের খান সহ রাজ্যের আরও তিন সংসদ। তারা প্রতিশ্রুতি দেন পরিবারের পাশে থাকার এবং দেহ ময়না তদন্তের পর গঙ্গাধারী গ্রামে যাওয়ার।

দুঃসংবাদ গ্রামে পৌঁছতেই নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। গ্রামবাসীদের কথায় একসাথে চারজনকে হারিয়ে আমরা স্তব্ধ।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে মৃতদেহগুলি স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, দেওয়াল ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here