বর্তমানে কন্যাশ্রী প্রকল্পের উপভোক্তা ৯৩ লক্ষ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান ওই সংখ্যাকে এক কোটিতে নিয়ে যাওয়া। বৃহস্পতিবার আলিপুরের ধনধান্য স্টেডিয়ামে কন্যাশ্রী প্রকল্পের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন আমি আশা করব আগামী এক বছরের মধ্যে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে। সেদিন হবে স্পেশাল সেলিব্রেশন। অর্থাৎ বিশেষ উৎসব।
২০১৭ সালে ইউনেস্কো কন্যাশ্রী প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে স্বীকৃতি দেয়। ওই বছর পৃথিবীর 62 টি দেশের ৫৫২ টি প্রকল্প কে নিয়ে প্রতিযোগিতা হয়েছিল। এরমধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে কন্যাশ্রী প্রকল্প। বলা হয়ে থাকে এই প্রকল্প মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নেদারল্যান্ডে গিয়ে ওই পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এদিনের কন্যাশ্রী মঞ্চ থেকে বাংলার ভাষা সন্ত্রাস নিয়ে সরব হয়েছেন আবারো মুখ্যমন্ত্রী। আপনি বলেছেন পরিকল্পিতভাবে বাংলা ভাষাকে অসম্মান করা হচ্ছে। বাংলার মুনি ঋষিদের অপমান করা হচ্ছে। অর্থাৎ তিনি নাম না করে নরেন্দ্র মোদির সরকারকেই আক্রমণ করেছেন।রবীন্দ্রনাথ থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র। বঙ্কিমচন্দ্র, রাজা রামমোহন রায় পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিনয় বাদল দীনেশ ক্ষুদিরাম বসু এরকম মানুষদের অপমান করা হচ্ছে। অর্থাৎ সুযোগ যেখানেই আছে সেখান থেকেই বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে যারা অপমান করছেন তাদের নিশানা করছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ধনধান্য স্টেডিয়াম থেকে তিনি বলেছেন সবুজ সাথী, প্রবীণের স্বপ্ন এই ধরনের একাধিক প্রকল্প কাজ করছে বাংলাতে। আমরা চাই মেয়েদের তাড়াতাড়ি যেন বিয়ে না দেয়া হয়। লেখাপড়া শিখে তারা যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। রাজ্য সরকারের সেই ভাবে মেয়েদের স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেছে।





