রাজ্যের পর্যটন তালিকায় স্থান পেয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কর্ণগড়ের রানি শিরোমণি গড়। রানি শিরোমণি ও চুয়াড় বিদ্রোহ খ্যাত এই অঞ্চলের দুটি প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ অধিগ্রহণ করেছে রাজ্যের পুরাতত্ত্ব বিভাগ। সম্প্রতি ওই অঞ্চল থেকে উদ্ধার হয়েছিল এই ঐতিহাসিক স্মারক। ধাপে ধাপে খোদাই করা ত্রিস্তরীয় পাথরের একদম উপরিভাগে রয়েছে পদচিহ্নটি। নিচে যেন বেদি।
‘হেরিটেজ জার্নি’, ‘ভালবাসি কর্ণগড়’ ও ‘রানি শিরোমণি ঐক্য মঞ্চ’ সংগঠন- এর আহ্বায়ক ওই প্রাচীন পদচিহ্নটি দেখেই বুঝতে পেরেছিল তার ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। আবেদন জানিয়েছিল জেলা প্রশাসনের কাছে। তার পরে জেলাশাসকের উদ্যোগে এই বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল অতিরিক্ত জেলা শাসক ও শালবনীর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জেলাশাসকের দফতরের পক্ষ থেকে তা পাঠানো হয়েছে রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের অন্তর্গত পুরাতত্ত্ব বিভাগে।
জেলাশাসক খুরশিদ আলি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ঐতিহাসিক মূল্যসম্পন্ন ওই পদচিহ্ন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার জন্য। তার পরে বিস্তারিত যাচাই করে তিনি চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যের পুরাতত্ত্ব বিভাগে। আবেদন জানিয়েছেন, রাজ্যের প্রত্নতত্ত্ব মিউজিয়ামে এটিকে স্থান দেওয়ার জন্য। পদচিহ্নটি কার তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে এই অঞ্চলে রানি শিরোমণির সেনোটাফ ছিল বলে জানিয়েছিলেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অন্নপূর্ণা চট্টোপাধ্যায়। কর্ণগড়- শিরোমণি অঞ্চলেই ছিল রাজা যশোবন্ত সিংহের সমাধি। এছাড়াও, পদচিহ্নটি হতে পারে বৌদ্ধ, ধর্মঠাকুর বা বিষ্ণু বা জৈন সম্পর্কিত।





