রাহুল গান্ধী কে তারপর আমন্তব্য নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি তা না করেন তাহলে তিনি হলফনামা দিয়ে নিজের সই করে তথ্য প্রমান সহ আদালতে জমা দিন অথবা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠান। রবিবার রাহুল সম্পর্কে নাম না করে এই মন্তব্য করেছেন দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। তিনি বলেছেন এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে ক্ষমা চাইতেই হবে।
অন্য অথবা তৃতীয় কোন পথ তার কাছে নেই। নির্বাচন কমিশনার নাম না করে ঝড়ের সঙ্গে এই কথা বলেছেন কারণ সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে তার কাছে। পশ্চিমবঙ্গের চারজন ডাব্লু বিসিএস পদমর্যাদার অফিসার কে সাসপেন্ড না করার জন্য সংবিধান মেনে এ রাজ্যের মুখ্য সচিব কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়ে উত্তর নিয়েছেন। মুখ্য সচিব মনোজ পান্থ নির্বাচন কমিশনকে কথা দিয়েছেন একুশ আগস্ট এর মধ্যে কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করা হবে। এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে মামলা করা যায় হাইকোর্ট অথবা সুপ্রিম কোর্টে। এটাই নির্বাচন কমিশনের আইন। সাংবিধানিক অধিকার।
কিন্তু বিরোধী দলগুলি সেসব মানছেন না। আদালতে চলে যাচ্ছেন। তবে লোকসভার বিরোধী দলনেতা ভোট চুরি নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন সংবিধানিক। তাকে জবাব দিতেই হবে। তা না হলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। কয়েকদিন আগে নির্বাচন কমিশন রাহুলের ভোট চুরি অভিযোগ নিয়ে হলফনামা তলপ করেছিল। সকালে ওই ঘোষণা করার পর সন্ধ্যায় রাহুল গান্ধী জানিয়ে দেন তিনি কোনও হলফনামা দেবেন না। কমিশন সূত্রে খবর অভিযোগ হবে। কিন্তু প্রমান চাইলে তারা তা দেবেন না। এসব কি হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের কোন ঝগড়া নেই।
কমিশন বিরোধীদের নিয়ে ভেদাভেদ করতে পারেনা । তাই বিরোধীরা যেসব অভিযোগ করছেন তার প্রমাণ দিন। এটাই গণতান্ত্রিক নিয়ম। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন ভোট চুরি বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে আসলে তা সংবিধানকে অসম্মান করা হচ্ছে। যদিও রাহুল গান্ধীর দাবি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে রক্ষার জন্যই তিনি আন্দোলন শুরু করেছেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। বিজেপি কমিশনকে কাজে লাগিয়ে তাদের রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে। আমরা এসব হতে দেব না।





