পাণ্ডবেশ্বর বাজার থেকে মহাল মোড় পর্যন্ত রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল, নিত্যদিন ঘটে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। গত কয়েকদিনে পরপর দুটি টোটো উল্টে গিয়ে আহত হয় বেশ কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া, তারপরও হুঁশ নেই পঞ্চায়েত বা ব্লক প্রশাসনের। বেহাল রাস্তার সারাইয়ের দাবিতে রাস্তার উপর ধানের চারা পুঁতে প্রতিবাদে বামপন্থী যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই-এর। রেলের বাধার কারণে হচ্ছে না রাস্তা মেরামতের কাজ, জানালেন তৃণমূলের কেন্দ্রা অঞ্চল সভাপতি যমুনা ধীবর।
বুধবার বেলা এগারোটা নাগাদ পাণ্ডবেশ্বর স্টেশন সংলগ্ন রাস্তার জল ও গর্তের মধ্যে ধানের চারা পুঁতে প্রতিবাদ দেখায় ডিওয়াইএফআই। সংগঠনের রাজ্য কমিটির সদস্য বাবু ভট্টাচার্য জানান, পাণ্ডবেশ্বরের মহাল মোড় থেকে পাণ্ডবেশ্বর বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি বেশ কয়েক বছর ধরে বেহাল ও বিপদজনক হয়ে আছে। সব দেখেও পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসন চুপ। এই রাস্তার উপর দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। যেকোনো সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে মানুষের প্রাণহানি হতে পারে। তিনি বলেন, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক দুর্গাপুরে গিয়ে স্টেডিয়ামের বেহাল অবস্থার জন্য ধানের চারা পুঁতে প্রতিবাদ করছেন, অথচ তারই এলাকায় রাস্তার অবস্থা বেহাল, নজর নেই তাঁর। পাশাপাশি তিনি বিজেপি নেতাদেরও এক হাত নিতে ছাড়েননি। যুব নেতা বলেন, বিজেপি নেতা কর্মীরা তৃণমূলের প্রতিবাদের প্রত্যুত্তরে বিভিন্ন জায়গায় তুলসী চারা বিতরণ করেছেন। অথচ এলাকায় আসল সমস্যার সমাধানের কথা কেউই বলছেন না।
যুব নেতা বাবু ভট্টাচার্য হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শীঘ্রই এই রাস্তার মেরামতি না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের নামবেন তারা। অন্যদিকে, তৃণমূলের কেন্দ্রা অঞ্চল সভাপতি যমুনা ধীবর জানান, বারবার এই রাস্তা নিয়ে মাননীয় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী রেলের কাছে বিভিন্নভাবে চিঠি করেছেন। যেহেতু এই রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশ রেলের জায়গায় পড়ে, সে কারণেই রেলের অনুমতি ছাড়া রাস্তা করা সম্ভব হচ্ছে না। যখনই রাস্তা করার জন্য রাজ্য সরকার তথা এলাকার বিধায়ক উদ্যোগী হচ্ছেন, কোন না কোন ভাবে রেল কর্তৃপক্ষ বাধা সৃষ্টি করছে, ফলে বন্ধ হচ্ছে কাজ, সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয়রা।





