ভোট ঘোষণা হয়নি। এমনকি ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজও শুরু হয়নি বাংলাতে। কিন্তু তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি ঘর গোছাতে নেমে পড়ল।
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জেলাভিত্তিক বৈঠক শুরু করে দিয়েছেন।
এবার যে যার কথাটি কারীদের নিয়ে সরাসরি তার অফিসে বৈঠক করছেন। মঙ্গলবার বৈঠক হয় বারাসাত সাংগঠনিক জেলা এবং হাইভোল্টেজ পূর্ব মেদনীপুরের নেতাদের সঙ্গে। এখন থেকেই জনসংযোগ বাড়ানোর উপর ভোট দিয়েছেন তিনি। এছাড়া যে নিবিড় ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে সেখানেও যেন তারা নজর দাড়ি রাখে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বকশি। প্রার্থী মনোনয়নে কাজের লোকদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে অভিষেক জানিয়ে দিয়েছেন দুই জেলার নেতাদের।
এই পাশাপাশি বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও গুটি সাজাতে ব্যস্ত। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরের কোন ওয়ার্ডে এবং কোন বুথে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আবার কোথায় পিছিয়ে তাই নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করছেন তিনি। এজন্য বিশেষ একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। দলীয় স্তরে শুভেন্দু বলেছেন নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন হলে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বহু ভুয়া ভোটার বাতিল হবে। শুভেন্দু শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য একটি পৃথক কার্যালয় খুলতে চলেছেন। যেখানে শুধু ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়েই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক হবে।
এখানে দলীয় কর্মীদের নিয়ে তৈরি করা হবে৷ বুথ কমিটি। নন্দীগ্রামে ১৫৫৬ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকে তিনি সুযোগ পেলেই মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করে বলেন কম্পার্টমেন্টাল মুখ্যমন্ত্রী। একটা সময় তিনি বলেন প্রয়োজনে আমি ভবানীপুরে পার্টি হব।শেষ পর্যন্ত দলটাকে অনুমতি দেবেন কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। প্রয়োজন হলে দুটি কেন্দ্রে দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদনীপুরের নেতাদের বলেন নন্দীগ্রামে বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে আমি বিভিন্ন শাখা সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করব।অর্থাৎ অভিষেক ধরেই নিয়েছেন নন্দীগ্রামে ফের দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী। আর এইজন্যই তিনি আলাদা করে গুরুত্ব দিতে চাইছেন নন্দীগ্রামে।
কিন্তু এটা ঠিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর নন্দীগ্রামে প্রার্থী হবেন না। দলের দাবি জেলা থেকেই প্রার্থী করা হোক।এদিন বৈঠক শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন আমরা ঐক্যবদ্ধ। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি এখানে কিছুই করতে পারবে না। সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছেন সংসারে সমস্যা থাকে। সেসব আলোচনা করেই মিটে যায়। ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে সব কর্মী এক যোগ হয়ে রাজনৈতিক লড়াইয়ে শামিল হবে।





