গণপতির বাবার নাকি প্রিয় প্রসাদ এটাই। নদীয়া তথা রানাঘাটের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে নিমেষের মধ্যে সব দোকান থেকে উধাও এই বিশেষ মিষ্টি। হঠাৎ করেই বাংলার মিষ্টির দোকানে চাহিদা মোদক মিষ্টির। গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ধুমধাম করে পুজো করা হয়ে থাকে মহারাষ্ট্রে গণপতি বাপ্পার। গণপতি ঠাকুরের অন্যতম প্রিয় মিষ্টি হল লাড্ডু ও মোদক মিষ্টি। মূলত এই মিষ্টি দেখতে অনেকটা বাংলার পুলি পিঠের মতো।
যেহেতু মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি এখন গোটা বাংলা জুড়ে, গণেশ চতুর্থীতে গণপতি বাপ্পার পুজোর প্রচলন বৃদ্ধি পেয়েছে সেই কারণে মিষ্টির দোকানেও সন্দেশ রসগোল্লা পানতুয়ার পাশাপাশি বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে মোদক মিষ্টির। মোদক মিষ্টির পাশাপাশি দিদার বিক্রি হচ্ছে লাড্ডুও। মিষ্টি ব্যাবসায়ী সেন্টু ঘোষ বলেন সকাল থেকে খরিদ্দারের মোদক মিষ্টির কেনার ভিড় এর আগে কখনো চোখে পড়েনি এত। যা বানিয়েছিলাম সব বিক্রি হয়ে গিয়েছে, আবার সমস্ত কর্মচারীরা মোদক মিষ্টি বানাতে উঠে পড়ে লেগেছে।
মূলত এটি বানাতে খোয়া ক্ষীর ছানা দুধ কাজুবাদাম ইত্যাদি মিশ্রণ করে ভালো করে জাল দিয়ে তবে বানানো হয় মোদক মিষ্টি। যদিও এই মিষ্টির ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন মহারাষ্ট্রে আসল মোদকমিষ্টি কিভাবে বানানো হয় তা আমরা জানিনা, আমরা বাংলাতে যেভাবে সন্দেশ তৈরি করি একইভাবে এই মোদকমিষ্টি তৈরি করছি শুধু আকৃতি দিচ্ছি মহারাষ্ট্রের মোদক মিষ্টির মত। সাত আট বছর ধরে এই মোদক মিষ্টি বানালেও এবছর চাহিদা সবথেকে বেশি। বলেই জানালেন রানাঘাটের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।





