অনুপ্রবেশ ও অবৈধভাবে ভিনদেশি নাগরিকদের নিয়ে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের। প্রতিটি রাজ্যকে তৈরি করতে বলা হল ডিটেনশন ক্যাম্প। অবৈধভাবে যারা এই দেশে বসবাস করছেন, তাদের ধরে ধরে এই ক্যাম্পে পাঠানো হবে। মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভিন দেশের নাগরিক, যারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন, তাদের নিজেদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে, সিএএ আইন অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে প্রবেশকারী অমুসলমান ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্বের আবেদন করার সুযোগ ছিল। তবে এখন সেই সময়সীমা দশ বছর বাড়ানো হয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংসদ এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস করে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বিলটিতে সই করার পর এটি আইনে পরিণত হয়েছে। এই আইনের লক্ষ্য হল বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া অমুসলমান উদ্বাস্তুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা।
২০১৯ সালে সিএএ পাসের সময় এই আইনের পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন র্যা লি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মোদ্দা কথা হল, ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে যে আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা, যারা ২০২৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তারা এই দেশে থাকতে পারবেন। অর্থাৎ এই বিশেষ ব্যবস্থা তাদের জন্য, যারা ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যক্তিরা পাসপোর্ট বা অন্যান্য বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে থাকার অনুমতি পাবেন।এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ বহু মানুষের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসবে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের যে সমস্ত হিন্দুরা ২০১৪ সালের পর ভারতে এসেছেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুসংবাদ।





