নেইমার, ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো— দলের একাধিক তারকা ছিলেন না। তাই সবার নজর ছিল, সেরাদের ছাড়া কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল কেমন খেলে। উত্তরটা মিলল মারাকানায়। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা চিলিকে উড়িয়ে দিল ৩-০ গোলে।গোল করেছেন এস্তেভাও, লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো গিমারেস।সেপ্টেম্বরের বাছাইপর্বের জন্য ঘোষিত ব্রাজিল দল নিয়ে গত কদিন ধরে চলেছে আলোচনা। আনচেলত্তি জানিয়েছেন, নেইমার বাদ পড়েছেন চোটের কারণে। কিন্তু নেইমার বললেন, তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে কৌশলগত কারণে।এই বিতর্কে কতটা প্রভাব পড়বে চিলির বিপক্ষে ম্যাচে— সেটাই ছিল প্রশ্ন। তবে মাঠে তার কোনো ছাপই দেখা যায়নি। শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে ব্রাজিল। ৬৫ শতাংশ বল দখলে রেখে তারা নিয়েছে ২২টি শট, যার মধ্যে ৮টি ছিল লক্ষ্যে।
বিপরীতে ৩৫ শতাংশ বল দখলে রাখা চিলি পুরো ম্যাচে নিয়েছে ৩টি শট, কোনোটিই লক্ষ্যে যায়নি। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে ম্যাচটা ছিল একেবারেই একপক্ষীয়।
প্রথমার্ধে অবশ্য চিলির অতিরক্ষণাত্মক কৌশলের কারণে ভুগেছে ব্রাজিল। গোলের কাছাকাছি গেলেও জাল খুঁজে পাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৮ মিনিটে এস্তেভাও ভেঙেছেন চিলির রক্ষণ।দুর্দান্ত এক বাইসাইকেল কিকে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন এই তরুণ। এ গোলেই এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।দ্বিতীয়ার্ধে আনচেলত্তির পরিবর্তনগুলো কাজে আসে। বিশেষ করে নজর কাড়েন লুইস হেনরিক। ম্যাচের ৭২ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে তার দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ের পর ক্রস থেকে হেডে গোল করেন লুকাস পাকেতা।
শেষ গোলেও ছিল হেনরিকের অবদান। ডান দিক দিয়ে উঠে চমৎকার সমন্বয় গড়ে তোলেন ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে। তার জোরালো শট ক্রসবারে ফিরলে ফিরতি বল ঠেলে দিয়ে গোল করেন গিমারেস। এই গোলই নিশ্চিত করে ব্রাজিলের ৩-০ ব্যবধানের জয়।আগেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা ব্রাজিল এই জয়ে ১৭ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। তলানিতে থাকা চিলির সংগ্রহ সমান ম্যাচে মাত্র ১০ পয়েন্ট।





