স্মার্ট মিটারের বিরোধিতায় সরব হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। গ্রাহকদের অভিযোগ, স্মার্ট মিটার লাগানোর পর থেকে একদিকে যেমন বিদ্যুতের বিল আগের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। সেই বিলের টাকা ঠিকঠাক সময়মতো পরিশোধ করতে না পারলে বিদ্যুৎ-এর লাইন কেটে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিমাসের বিল প্রতি মাসেই মেটাতে হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যায় ভুগছে বসিরহাটের বিভিন্ন পৌর ও ব্লক এলাকার হাজার হাজার গ্রাহক। তাই সেই স্মার্ট মিটারের বিরোধিতায় সরব হল জাতীয় কংগ্রেস। রাজ্য যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মোল্লার নেতৃত্বে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক ও বসিরহাটের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা বসিরহাট মহকুমা ডব্লিউবিএসইডিসিএল দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিককে ডেপুটেশন জমা দেন। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মোল্লা বলেন, ‘নতুন যে স্মার্ট মিটার বাড়ি-বাড়ি লাগানো হচ্ছে, তার ফলে সমস্যার মধ্যে পড়ছেন প্রত্যন্ত এলাকার খেটে খাওয়া মানুষরা।
রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার পরিকল্পনা করে এই স্মার্ট মিটার মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে। কিন্তু আমরা তা বরদাস্ত করবো না। আমাদের পুরনো মিটার ফিরিয়ে দিতে হবে। নতুন মিটারের কোনো টাকা আমরা দেব না। অবিলম্বে যদি নতুন মিটার সরিয়ে পুরোনো মিটার না বসানো হয় তাহলে আমরা পুজোর পরে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবো।’ অপরদিকে ডব্লিউবিএসইডিসিএলের সাব ডিভিশনাল ম্যানেজার মিরাজ আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে যা বলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলবে।’





