প্যারাগ্লাইডিং করতে গিয়েই সমুদ্রে পড়ে যান জুবিন। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে সিঙ্গাপুর পুলিশের তরফে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। ইহলোকের মায়া কাটিয়ে পরলোকের উদ্দেশে রওনা হন বছর বাহান্নর গায়ক। জুবিনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
শোকপ্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, “আজ আসাম তার প্রিয় সন্তানকে হারাল। অসমের কাছে জুবিন গর্গ কী ছিলেন? কিংবা অসমের মানুষের মনজুড়ে কতটা ছিলেন জুবিন? সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বড্ড তাড়াতাড়ি চলে গেলেন। এটা তো ওঁর চলে যাওয়ার বয়সও নয়। জুবিনের কণ্ঠে শ্রোতাদের উজ্জীবিত করার এক দারুণ ক্ষমতা ছিল। এমন শূন্যতা রেখে গেলেন, যা কখনও পূরণ হবে না। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুবিনকে অহমিয়া সংস্কৃতির অন্যতম ধারক-বাহক এবং স্তম্ভ হিসেবেই মনে রাখবে।





