রামপুরহাটে নাবালিকা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী নৃশংস খুনের ঘটনায় তিন দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে বীরভূমের রামপুরহাট মহকুমার বারোমিশিয়া গ্রাম। ২৮শে আগস্ট, বীরভূমের রামপুরহাট থানার বারমিশিয়া গ্রামের চৌদ্দ বছরের ছোট্ট শিশু কন্যা নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার গভীর রাত্রে গ্রেপ্তার হওয়ার শিক্ষক পুলিশী জেলায় কবুল করে ছাত্রীর দেহ বস্তাবন্দী করে কোথায় ফেলেছে দেখায়। ধৃত শিক্ষক মনোজ কুমার পাল নয় দিনের পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।
গ্রেপ্তারের তিনদিন পর সাংবাদিক বৈঠক করল বীরভূম জেলা পুলিশ। বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার বীরভূম রাহুল মিশ্র বলেন, ১৪ বছরের সপ্তম শ্রেণীর নাবালিকা ছাত্রী খুন হয়েছে। খুনে অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত খুনের মোটিভ জানা যায়নি। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক পুলিশি জেরাই বলেছেন, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। তারপর কাস্তে দিয়ে দেহ টুকরো টুকরো করে সিমেন্টের বস্তায় ভরে ক্যানেলের তীরবর্তী অঞ্চলে ফেলে দেয়। এদিন শিশু নিরাপত্তা বিষয়ক পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনন্যা চক্রবর্তী ও সাংবাদিক বৈঠক করেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনার। আমরা সকলে মিলেই চাইছি যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করে, ফাঁসি হোক শিক্ষকের। কিন্তু তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। এলাকায় রাস্তা অবরোধ রয়েছে। পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক নয়। গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষককে নিয়ে গিয়ে পুলিশ তদন্ত করবে সেই পরিবেশ নেই। অন্যদিকে রামপুরহাট থেকে দুমকা যাওয়ার রাজ্য সড়ক অবরোধ হয়ে রয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে। ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে গোটা বারোমিশিয়া গ্রাম। এলাকাবাসীরা চাইছে। দ্রুত এই ঘটনার নিষ্পত্তি হোক। আরো কেউ অভিযুক্ত থাকলে গ্রেফতার হোক।





