- Advertisement -spot_img
Homeকলকাতাযতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম...

যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না: মমতা

- Advertisement -spot_img

‘যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না।’ এভাবেই তিনি নিজে দাঁড়িয়ে এসআইআর ফর্ম পূরণ করেছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন মিথ্যে ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

গতকাল অর্থাৎ বুধবার সকাল ১০টার কিছু পরে অমিতকুমার রায় ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছন। হাতে ছিল এসআইআরের জন্য নির্ধারিত এন্যুমারেশন ফর্ম। তার পরেই তাঁর পরিচয়পত্র পরীক্ষা করা হয়। এর পরেই তিনি ব্যাগ ও মোবাইল রেখে মুখ্যমন্ত্রী বাসবভনে গিয়েছিলেন।

 

সেখানে মমতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য ১৭টি ফর্ম দিয়ে আসেন তিনি। এর পরেই খবর ছড়িয়েছিল, নিজ হাতে সেই ফর্ম নিয়েছিলেন মমতা। তবে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, তিনি এনুমারেশন ফর্ম নিজের হাতে নেননি। আজ সকালে একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, মুখ্যমন্ত্রী নাকি নিজে হাতেই বিএলও-র কাছ থেকে এসআইআরের ফর্ম গ্রহণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে জানান, ‘গতকাল দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও আমাদের পাড়ায় এসেছিলেন তাঁদের নির্দিষ্ট কাজ করতে।

 

কর্মসূত্রে, আমার রেসিডেন্স অফিসে এসে – রেসিডেন্সের ক’জন ভোটার জেনেছেন এবং ফর্ম দিয়ে গেছেন। যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্র প্রকাশ করেছে যে, ‘আমি বাসভবন থেকে বেরিয়ে এসে নিজের হাতে বিএলও-র কাছ থেকে এনুমারেশন ফর্ম গ্রহণ করেছি!’ এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।’

 

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সামাজিক প্রকল্প ‘শিশুসাথী’র আওতায় শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা হয়ে থাকে। এবার সেই তালিকায় জুড়ল শিশুদের দূরারোগ্য কিছু হৃদযন্ত্রের রোগ। এখন থেকে ‘শিশুসাথী’ প্রকল্পের আওতায় এসব রোগের চিকিৎসা হবে সরকারি খরচে। সেই বাবদ ৩০০ কোটি টাকা নতুন করে বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

ক্লেফট লিপ, প্ল্যালেট, ক্লাবফুটের মতো দূরারোগ্য ব্যাধির শিকার হয় সদ্যোজাতদের একটা অংশ। এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, অন্তত ৬৩ হাজারের বেশি শিশু এসব রোগে ভুগছে। এবার থেকে এসব রোগের চিকিৎসা হবে সরকারি খরচে অর্থাৎ অভিভাবকদের কোনও চিন্তার কারণ নেই। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে একেবারে নিখরচায় শিশুদের জটিল হৃদরোগের চিকিৎসা হবে। শিশুসাথী প্রকল্পে এই খরচের জন্য বাড়তি অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই সুসংবাদ জানিয়েছেন।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here