দিল্লি বিস্ফোরণের পরই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্কতা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর, হাকিমপুর, হেমনগর, শামসের নগর ও সন্দেশখালি এলাকায় মোট ৯৪ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে ৪৪ কিলোমিটার স্থলপথ এবং ৫০ কিলোমিটার জলপথ। ইতিমধ্যে বিএসএফ এই সীমান্তগুলোতে নজরদারি জোরদার করেছে।
জলপথে নাইট ভিশন ক্যামেরা দিয়ে পেট্রোলিং চলছে। যেখানে ক্যামেরা নেই, সেসব স্থানে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তরও সীমান্তবর্তী এলাকায় অচেনা লোকজনের পরিচয় ও কাগজপত্র যাচাই করছে। হাকিমপুর, ঘোড়াডাঙ্গা, শামসের নগর সহ বিভিন্ন ট্রানজিট পয়েন্টে গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাকের তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
রাতের অন্ধকারে বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি দিনের বেলা নাকা চেকিং চলছে। জেলা পুলিশ এবং বিএসএফ যৌথভাবে বাস, চার চাকা গাড়ি, বাইক ও হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে। অচেনা মানুষদের নাম, পরিচয় ও নথিপত্র যাচাই করা হচ্ছে। রেলস্টেশনেও জিআরপি ও আরপিএফ যৌথভাবে ব্যাগ তল্লাশি করছে।
দিল্লি বিস্ফোরণের জেরে বসিরহাট সীমান্ত শহর ও আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিককে সতর্ক থাকতে এবং পুলিশের নির্দেশ মেনে চলার অনুরোধ করা হচ্ছে।





