দিল্লির লালকেল্লায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর গোটা দেশজুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা। প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগে প্রশাসন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিরাপত্তা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই এলার্ট জারি হয়েছে দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর কাছে। নদীয়ার গেদে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে কড়া নাকা চেকিং। বুধবার চলছে তৎপরতা। গেদে চেকপোস্টে বিএসএফের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। একইভাবে করিমপুর, চাপড়া, কৃষ্ণগঞ্জ, হাঁসখালি ও রানাঘাটের সীমান্ত এলাকাগুলিতেও চলছে কড়া প্রহরা।
কৃষ্ণনগর রাজ্য সড়ক ধরে সীমান্তের দিকে যাওয়া প্রতিটি গাড়ি তল্লাশি করা হচ্ছে। যাতে কোনও অবৈধ গাড়ি সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সকাল থেকেই সেনা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।ভারত–বাংলাদেশ ভিসা মারফত যাতায়াতকারী যাত্রীদেরও কড়া তল্লাশি চলছে। প্রত্যেকের ব্যাগ ও শরীর মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সীমান্তে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিএসএফের ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ড্যান্ট সুজিত কুমার বুধবার গেদে চেকপোস্টে পৌঁছান।
তিনি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্দেশ দেন আসা–যাওয়া প্রতিটি গাড়ির ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য।সীমান্তে পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে কমান্ড্যান্ট জানান, কোনও ভয় নেই। সীমান্তে কঠোর নজরদারি চলছে। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আমাদের জওয়ানরা। চালক অসিত বিশ্বাস বলেন,বিএসএফ আমাদের গাড়ি চেক করে ছেড়ে দিচ্ছেন। আমরা সন্তুষ্ট, কোনও অসুবিধা নেই। যারা বেআইনি কাজ করে, তাদেরই সমস্যা। আরেক চালক লক্ষ্মণ পরামাণিক বলেন,গাড়ি ও ব্যাগ চেক হয় ঠিকই, কিন্তু কোনও অসুবিধা হয় না। বিএসএফের কাজে আমরা খুশি।





