- Advertisement -spot_img
Homeখেলাশ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের নিরাপত্তায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী!

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের নিরাপত্তায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী!

- Advertisement -spot_img

ইসলামাবাদে প্রাণঘাতী আত্মঘাতী বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হামলার কারণে চলমান সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।সরাসরি সম্প্রচারিত পার্লামেন্টের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেন, সেনাপ্রধান আসিম মুনির শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রমিথা বান্দারা টেনাকুনকে দলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।তিনি বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা দলের নিরাপত্তার জন্য আমাদের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

নাকভি জানান, বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়রা পাকিস্তানে অবস্থান নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, তবে তাদের সেই উদ্বেগ ইতোমধ্যে দূর করা হয়েছে।তিনি আরো বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গতকাল ব্যক্তিগতভাবে দলের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের খেলা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছেন।’শ্রীলঙ্কা দল যে হোটেলে অবস্থান করছে এবং যে স্টেডিয়ামে খেলছে—দুটিই আত্মঘাতী হামলার স্থান থেকে ১০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড বুধবার বলেছিল, বিস্ফোরণের পর দলের কয়েকজন খেলোয়াড় আগেভাগে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন—এটি রাজধানীতে এক দশকের মধ্যে প্রথম বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা।পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ‘ফুলপ্রুফ’ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিয়েছে জানিয়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড দলকে পাকিস্তানে থাকার নির্দেশ দেয়। বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে তারা আর কোনো মন্তব্য করেনি।বোর্ড আরো জানায়, যারা আগেভাগে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবে তাদের আচরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা করা হবে।

ইসলামাবাদের একটি আদালতের বাইরে মঙ্গলবার আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়—বিগত কয়েক বছরে রাজধানীর অন্যতম ভয়াবহ হামলা এটি।একই দিনে ওয়ানাতে একটি সামরিকচালিত স্কুলে অস্ত্রধারীরা হামলা চালায়, এতে তিনজন নিহত হন, পরে নিরাপত্তাবাহিনী শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে এবং হামলাকারীদের গুলি করে হত্যা করে।
পাকিস্তান আফগানিস্তানের মদদপুষ্ট জঙ্গিদের দায়ী করেছে এবং ভারতের সহযোগিতার অভিযোগ করেছে, যা কাবুল ও নয়াদিল্লি দুই পক্ষই অস্বীকার করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, এসব হামলা দেশকে ‘যুদ্ধাবস্থায়’ ঠেলে দিয়েছে।

এই সহিংসতা ২০০৯ সালের লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর হামলার স্মৃতি চাগিয়ে তুলেছে, যার পর প্রায় এক দশক পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল। সেই হামলায় ছয় খেলোয়াড় আহত হন এবং পাকিস্তানকে দীর্ঘদিন সংযুক্ত আরব আমিরাতে হোম ম্যাচ খেলতে হয়।

এরপর প্রধান শহরগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আন্তর্জাতিক দলগুলো ফিরতে শুরু করে। ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কা দল পাকিস্তান সফর করলে দেশটিতে আবার টেস্ট ক্রিকেট শুরু হয়।র্তমানে শ্রীলঙ্কা দল ইসলামাবাদ–সংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে। এরপর তারা জিম্বাবুয়েকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নেবে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here