উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়ে আসছেন চার নারী যোদ্ধা—শুভ্রা ঘোষ বসু, ইপ্সিতা ব্যানার্জি, ডোনা গাইন এবং মৌসুমী পাত্র তরফদার। দীর্ঘ তিন বছর ধরে তারা ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, সুগার, প্রেসার, টিবি রোগী, প্রসূতি মা এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাকরণ থেকে শুরু করে রক্ত পরীক্ষা—সবই নিষ্ঠার সঙ্গে করে এসেছেন। প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে মানুষের সুস্থতা বজায় রাখতে তারা প্রতিদিনই দায়িত্ব পালন করেছেন আন্তরিকভাবে।
সম্প্রতি দিল্লি থেকে চারজন চিকিৎসক বসিরহাট পৌরসভায় এসে এই চার স্বাস্থ্যকর্মীর কাজ পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়ন করেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, বারোটি বিভাগের প্রত্যেকটিতে তারা প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। তাদের গড় নম্বর ৯৮.৮৪ শতাংশ—যা এক কথায় অসাধারণ।
এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি বাংলার নারী শক্তির প্রতীক। যেমন ভারতীয় মহিলা দল বিশ্বকাপ জিতে দেশকে গর্বিত করেছে, তেমনই এই চার স্বাস্থ্যকর্মীও দেখিয়ে দিলেন—নারীরা যে কোনও ক্ষেত্রেই অসাধারণ সাফল্য আনতে পারে। ঘর সামলানো থেকে ব্যাট–বল বা ফুটবল খেলা, কিংবা স্বাস্থ্য পরিষেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত—সবক্ষেত্রেই আজ নারীরা অগ্রণী।
বসিরহাটের এই চার নারী স্বাস্থ্যকর্মীর কেন্দ্রের স্বীকৃতি প্রমাণ করল, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতা থাকলে বাংলার নারীরা দেশকে গর্বিত করার শক্তি রাখেন।





