বিহারে ফের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন নীতীশ কুমার। চলতি সপ্তাহেই পাটনার গান্ধী ময়দানে গঠন হবে নতুন এনডিএ সরকার। সূত্র মতে,২০ নভেম্বর ঐতিহাসিক সেই ময়দানেই শপথ নেবেন দশমবারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এনডিএর জোটসঙ্গী দলগুলিও এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।শনিবার অমিত শাহর উপস্থিতিতে এনডিএ নেতাদের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে নেতৃত্বে থাকবেন নীতীশ কুমার।
ভোটের আগে যেমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি ও শাহ, সেই পথে এগোল জোট। রাজনৈতিক মহলের ধারণা নীতীশের নেতৃত্বেই শপথ নেবেন এনডিএ সরকার ।বৃহস্পতিবার সকালেই নীতীশ কুমার শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। সেখানেই বর্তমান বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব গৃহীত হবে। এরপর রাজ্যপালের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। একই দিনে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাবও দেবেন তিনি। জেডিইউ সূত্রের খবর, এই পরিকল্পনা অনুযায়ীই সাজানো হচ্ছে রাজনৈতিক সময়সূচি।পাটনার গান্ধী ময়দানে চলছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জোর প্রস্তুতি।
প্রশাসনের তরফে বিশাল জার্মান হ্যাঙ্গার তোলা হচ্ছে । এখানে একসঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ বসতে পারবেন। আপাতত ৩০ হাজার চেয়ার রাখা হচ্ছে। এমন আয়োজন বিহারের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলেই দাবি এনডিএ নেতাদের। পাটনা জেলা প্রশাসনের এসএম ত্যাগরাজন জানিয়েছেন, যাবতীয় প্রস্তুতি প্রায় শেষ। নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে।এনডিএ-র দাবি, এই শপথ অনুষ্ঠানই হবে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বৃহৎ। প্রধানমন্ত্রী মোদির পাশাপাশি কয়েকটি এনডিএ-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।
ইতিমধ্যেই বোম্ব স্কোয়াড গান্ধী ময়দান পরিদর্শন করেছে, ২০ নভেম্বর পর্যন্ত সাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ। মাঠজুড়ে সবুজ কার্পেট বিছানোর কাজ চলছে। অতিথিদের জন্য রাখা হচ্ছে ১,৫০০ সোফা ও আমদানি করা ফুলে সাজানো হচ্ছে সমগ্র মঞ্চ।বিহার বিধানসভায় ২৪৩ আসনের মধ্যে এনডিএ জোট পেয়েছে ২০২টি আসন। বিজেপি ৮৯, জেডিইউ ৮৫ এবং অন্যান্য শরিকরা মিলিয়ে বাকি আসন জিতেছে। বিপুল জয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে কিছুদিন জল্পনা চলেছিল। জল্পনা এখনও জারি তবে রাজনৈতিক মৌলের ধারণা শেষমেশ দশমবারের মতো বিহারের শীর্ষপদে ফিরতে পারেন নীতীশ কুমার ।





