অভিনেত্রী পায়েল সরকার তাঁর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘দ্য একাডেমি অব ফাইন আর্টস’ এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বিস্ফোরক অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন।
‘দ্য একাডেমি অব ফাইন আর্টস’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পায়েল। সিনেমাটি ‘অ্যাডাল্ট’ সনদ পেয়েছে এবং তা ১৪ নভেম্বর মুক্তির কথা থাকলেও, ফেডারেশনের সঙ্গে জটিলতায় শেষ মুহূর্তে তা আটকে যায়। এই পরিস্থিতিতে, ‘স্ট্রেট আপ উইথ শ্রী’ পডকাস্টের এক প্রোমোতে পায়েল তাঁর অতীতের এক অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছেন।
ক্যারিয়ারের শুরুতে অনৈতিক প্রস্তাব
পায়েল সরকার প্রকাশ করেন যে তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রযোজক তাঁর কাছে ‘নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা’ দাবি করেছিলেন। সঞ্চালক ‘যৌন সুবিধা’ জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্পষ্টতই ‘হ্যাঁ’ বলে স্বীকার করেন।
এই অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর, ওই প্রযোজক ‘পুরো সাইকো’ হয়ে গিয়েছিলেন বলে পায়েল উল্লেখ করেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য লিখতেন এবং তাঁর ছবিতে ক্রস চিহ্ন ব্যবহার করে ভুলভাল কথা লিখতেন। এই ঘটনার পরে পায়েল সাময়িক বিরতি নিলেও, প্রেম আমার এবং লে ছক্কা-এর মতো ব্লকবাস্টার ছবি দিয়ে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন। একসময় টলিউডের কমার্শিয়াল ছবিতে তিনি ছিলেন জনপ্রিয় মুখ, বিশেষত দেবের সঙ্গে তাঁর জুটি (যেমন: আই লাভ ইউ) দারুণ হিট ছিল।
‘না’ বলার অধিকার ও ব্যক্তিগত জীবন
পায়েল এই পডকাস্টে সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেন: মেয়েদের ‘না’ বলার অধিকারকে অসম্মান করা। তিনি বলেন, আমাদের সমাজে এখনো মেয়েদের না বলাটাকে সম্মান করতে পারে না পুরুষ। একজন মহিলা কোথাও গিয়ে ‘না’ বলছে, মানে সে কোথাও গিয়ে স্টান্ট নিচ্ছে। আমাদের এখানে না মেয়েদের না বলাটা পুরুষরা ইগোতে নিয়ে নেয়, সেটা ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের লোক হোক বা বাইরের।
অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ইন্ডাস্ট্রিতে বহু চর্চা হয়েছে। পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল, যা পরবর্তীকালে ভেঙে যায়। রাজ শুভশ্রীকে বিয়ে করলেও, ৪০ বছর পেরিয়েও পায়েল এখনও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হননি।





