মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল দিন কয়েক আগে। তবে শেষরক্ষা হল না, সোমবার সকালে চলে গেলেন বলিউডের হি-ম্যান, ধর্মেন্দ্র। এবার আর ফিনিক্স পাখি হয়ে ফিরে আসা হল না। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মেন্দ্রর মৃ্ত্যুর খবর জানায়নি পরিবার। তবে এশা দেওল ও হেমা মালিনীকে পবন হংস শ্মশানে দেখা গিয়েছে।
দেওল পরিবারে বলিউউ তারকাদের ভিড়। নভেম্বরের শুরুতেই ধর্মেন্দ্রর অসুস্থতার খবর চাউর হয়। গত ১১ই নভেম্বর অভিনেতার মৃত্যুর গুজব রয়েছিল।
যা খারিজ করে পরিবার। দু-দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। সোমবার,২৪শে নভেম্বর না-ফেরার দেশে চলে গেলন ধর্মেন্দ্র।
পুরো নাম ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষণ দেওল। ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার লুধিয়ানাতে (পাঞ্জাব) এক জাঠ পরিবারে জন্ম ধর্মেন্দ্রর। বাবা ছিলেন স্কুলের হেডমাস্টার। পড়াশোনার প্রতি তেমন ঝোঁক ছিল না হেডমাস্টারের ছেলের। দিলীপ কুমার ও মতিলালের অভিনয় দেখে স্বপ্ন দেখতেন রূপোলি পর্দার নায়ক হওয়ার। ফিল্মি দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ জানা যায়, সিনেমার প্রতি বেশ আগ্রহ ছিল ধর্মেন্দ্রর ।
এমনকী, ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের তরফে অভিনয়ে নতুন প্রতিভা খোঁজার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন ধর্মেন্দ্র । সেই সূত্র ধরে তিনি মুম্বই আসেন সিনেমার অভিনয় করার জন্য । কিন্তু সেই সিনেমা কখনও তৈরিই হয়নি । ভাগ্যের চাকা ঘোরে ১৯৬০ সালে । যখন তিনি সুযোগ পান অর্জুন হিঙ্গোরানির রোমান্টিক ড্রামা দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে সিনেমায় । তবে প্রথম সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়ে বক্সঅফিসে । সাফল্য ধরা দেয় ১৯৬১ সালে যখন মুক্তি পায় রমেশ সাইগলের শোলো অউর শবনম ।
এরপর ১৯৬২ সালে মুক্তি প্রাপ্ত মোহন কুমারের অনপড় অভিনেতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয় ধর্মেন্দ্রকে । এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৬৩ সাল, ধর্মেন্দ্রকে বলিউডে শক্ত জায়গা করে দেয় বিমল রায়ের বন্দিনী । সেই বছর এই সিনেমা বেস্ট ফিচার ফিল্ম ইন হিন্দি বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল ।





