ঘূর্ণিঝড়ের মূল কেন্দ্রের কাছাকাছি ঘণ্টায় ৬০–৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে, যার ঝোড়ো গতিবেগ ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছনোর সম্ভাবনা। বাইরের বৃত্তে ৩৫–৪৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে, ঝোড়ো হাওয়া সর্বোচ্চ ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।
একই সময়ে আরব সাগরের কেরল, লক্ষদ্বীপ ও মালদ্বীপ সংলগ্ন এলাকাতেও অনুরূপ বায়ুপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী পাঁচ দিন বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুর থানজাভুর, তিরুভারুর, নাগাপট্টিনম এবং ময়িলাদুথুরাই—এই চার জেলায় জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় ২০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি চেন্নাই, তিরুভাল্লুর, কাঞ্চিপুরম, রনিপেট ও চেঙ্গলপট্টু—এই পাঁচ জেলায় জারি হয়েছে অরেঞ্জ অ্যালার্ট। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ২৯ ও ৩০ নভেম্বরের পূর্বাভাস মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট সমস্ত দফতরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।





