- Advertisement -spot_img
Homeরাজনীতিশুভেন্দুকে 'গো ব্যাক' স্লোগান বিএলও-দের

শুভেন্দুকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান বিএলও-দের

- Advertisement -spot_img

কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে তৃনমূলপন্থী বিএলও-দের ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের জবাবে হুঁশিয়ারি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’ সিইও দপ্তরের সামনে লাগাতার অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে, কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় সিইও দপ্তর। বিভিন্ন এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। এসবের মধ্যেই সোমবার নির্ধারিত সময়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা সিইও দপ্তরের সামনে পৌঁছান।

 

এসআইআর নিয়ে নালিশ জানাতে গিয়ে ‘গো ‘ব্যাক’ স্লোগান শুনলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীকে দেখেই মুখর হয়ে ওঠেন ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’র সদস্যরা। পাল্টা সরব হন বিজেপি কর্মীরা। দু’পক্ষই ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। হস্তক্ষেপ করে পুলিশ। পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে বিরোধী দলনেতা সিইও দপ্তরে প্রবেশ করেন। সাক্ষাৎ করেন সিইও-এর সঙ্গে। এদিন সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের সময় আইপ্যাক-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন শুভেন্দু অধিকারী। কড়া সুরে বলেন, ‘আইপ্যাকের সাহস হয় কীভাবে, ডেটা এন্ট্রিতে ঢুকছে।’

 

এর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তিনি। এসআইআর নিয়ে রাজ্যের সরকার তথা তৃণমূল কংগ্রেসের যে মনোভাব রয়েছে তাকে প্রথম থেকেই তুলোধনা করে এসেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর অভিযোগ, আইপ্যাকের সঙ্গে মিলে ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় রাখার চেষ্টা করছে তারা, যাতে ভোটব্যাঙ্ক অক্ষত থাকে। তাই খসড়া তালিকা প্রকাশের পর হিয়ারিং পর্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই কমিশনকে বিশেষ আর্জি শুভেন্দু অধিকারীর। সিসিটিভি চালু রেখেই হিয়ারিং পর্ব করতে হবে, এই আর্জি জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, লোকসভা ভোটের মতো সিসিটিভি বা ওয়েবকাস্টিং বন্ধ করতে দেওয়া যাবে না। কমিশনের কন্ট্রোল রুম থেকে যেন সিসিটিভি মনিটর করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘রাজ্য সরকারের অফিসাররাই হিয়ারিং করবেন, তাতে দ্বিমত নেই। কিন্তু সেখানে যেন মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিরপেক্ষ আধিকারিককে নিয়োগ করা হয়।’ তাঁর স্পষ্ট কথা – এটা সব দলের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা ফেভার নয়, ফেয়ার চাই।

 

সিইও দফতরের বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, ‘বিডিও-দের একাংশের সাহায্য বিএলও-দের চাপ দিয়ে তাদের কাছ থেকে ওটিপি নিয়ে আইপ্যাকের লোকেরা মৃত, অন্যত্র চলে যাওয়া এবং বাংলাদেশি মুসলিম, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম রেখে দিয়েছে। আমরা তার নমুনা ওদের (কমিশনকে) দিয়েছি। ১৭১১১টি বুথের অভিযোগ, সিরিয়াল নম্বর এবং ডেটা আমরা স্পেশাল অবজার্ভার এবং সিইও-কে দিয়েছি। তাঁরা বলেছেন, ফিজিক্যাল ফেরিফিকেশন এবং টেকনোলজি ব্যবহার করে যতটা সম্ভব ফিল্টার করার চেষ্টা করবেন। এই আশ্বাস মিলেছে।’ অন্যদিকে, পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের ভয়ঙ্কর অভিযোগ। ঝড় তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

 

সোমবার তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের লিখিত পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়ম হয়েছে। শুভেন্দু দাবি করেন,পরীক্ষার্থীদের যে ওএমআর শিটের কার্বন কপি দেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও সিরিয়াল নম্বর ছিল না। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি ওএমআর শিটের কার্বন কপি পরীক্ষার্থীর কাছেই থাকা উচিত, কর্তৃপক্ষের কাছে নয়। তিনি আরও বলেন, ‘কার্বন কপি না দিলে বোর্ড যে কোনও ধরনের কারচুপি করতে পারে। সিরিয়াল নম্বর না থাকা মানে যে কোনও সময় ওই কপি বদলে দেওয়ার সুযোগ থেকেই যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর ফলে পরীক্ষার ফলাফলে কারচুপির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা পুলিশে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। রবিবার (৩০ নভেম্বর) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড কনস্টেবল পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা নেয়।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here