- Advertisement -spot_img
Homeবিনোদনখারাপ সিনেমায় অভিনয় করাও আবশ্যিক

খারাপ সিনেমায় অভিনয় করাও আবশ্যিক

- Advertisement -spot_img

সম্প্রতি ঋষভ শেট্টির প্রতীক্ষিত ছবি ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’-এ নজর কেড়েছেন অভিনেতা গুলশান দেবাইয়া। এই ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে তিনি এক অকপট আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

‘কান্তারা’ নিয়ে বিশেষ ভাবনা
গুলশান দেবাইয়ার কাছে ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’ খুবই স্পেশাল। তিনি ঋষভ শেট্টির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকে দারুণ বলে বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ছিল ঘোড়সওয়ারি, যা তিনি আগে জানতেন না এবং এর জন্য তাঁকে প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছিল।

গুলশান সেটে বসে ঋষভকে দেখতেন এবং তাঁর ঠান্ডা মাথায় কাজ করার ক্ষমতা দেখে মুগ্ধ হতেন। ঋষভ একইসঙ্গে অভিনয়, পরিচালনা এবং সেটের সকলকে সামলানোর মতো কঠিন কাজগুলো হাসিমুখে সামলাতেন। তিনি আরও জানান, ঋষভের চরিত্রটি শারীরিকভাবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। অভিনেতার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হল, ঋষভ তাঁর কথা মাথায় রেখেই চরিত্রটি লিখেছিলেন।

১৫ বছরের বলিউড জার্নি
বলিউডে ১৫ বছর পার করে এসেছেন গুলশান। তিনি জানান, তাঁর এই অভিনয় জীবন ঘিরে কোনও রকম পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর অভিনয় কেরিয়ার একটি নির্দিষ্ট আকার নিয়েছে এবং তিনি তাঁর কাজ নিয়ে খুশি।

তিনি বিশ্বাস করেন, জীবনে ওঠানামা থাকা জরুরি, কারণ ওঠানামা না থাকলে জীবন বর্ণহীন হয়ে যায়। সহজে সবকিছু পেয়ে গেলে সাফল্যের স্বাদ ফিকে হয়ে যায়। তবে এই পুরো জার্নিটি একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত, তাই এর ভুল-ঠিক সব দায়ভার তিনি নিজেই বহন করেন।

অনুশোচনা ও ভুলভ্রান্তি
অনুশোচনা প্রসঙ্গে গুলশান অকপটে স্বীকার করেছেন যে, তিনি পেশাগত জীবনে প্রচুর ভুল করেছেন। দু-একটা বাজে ছবিতে কাজ করলেও তিনি এ নিয়ে বিন্দুমাত্র আফশোস করেন না। তাঁর মতে, খারাপ সিনেমায় অভিনয় করাও এক ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি করে এবং মাঝে মাঝে এটি জরুরি।

তবে ব্যক্তিগত জীবনে করা কিছু ভুল নিয়ে তাঁর অনুশোচনা আছে। তাঁর মনে হয়েছে, বাবা, মা এবং স্ত্রীকে কিছু এমন কথা বলেছেন যা বলা উচিত ছিল না।

প্রতিযোগিতা ও ইগো
গুলশান দেবাইয়া সুস্থ প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসী। তাঁর মতে, সবসময় জিততেই হবে এমনটা তিনি মনে করেন না। কিন্তু প্রতিযোগিতা যখন ইগো দ্বারা চালিত হয়, তখনই মুশকিল হয়। অন্যকে ছোট করে দেখানো বা কটাক্ষ করা কখনওই সুস্থ প্রতিযোগিতা হতে পারে না।

সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও নাটকের অভিজ্ঞতা
পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সৃজিতকে তিনি ঋজু বলে ডাকেন। তিনি জানান, সৃজিতের প্রথম পরিচালিত নাটকেই তিনি অভিনয় করেছিলেন এবং তাঁদের পরিচয় ২০০৪ সাল থেকে। বেঙ্গালুরুতে তাঁরা দু-তিনটি নাটকে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

গুলশান জানান, সৃজিত তাঁকে বাংলা এবং হিন্দি ছবির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর পক্ষেই সেই সময় কাজগুলো করা হয়নি। বেঙ্গালুরুতে তিনি ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ ব্যান্ডের রঞ্জন ঘোষালের সঙ্গেও অনেক নাটক করেছেন। এছাড়া তিনি ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন, তবে সেখানে তিনি ইংরেজিতে অভিনয় করতেন।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here