ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং ইউনাইটেড স্টেট জিওলজিকাল সার্ভের গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক দশকে এখানে চারশোর বেশি ভূমিকম্প হয়েছে।
বছরে গড়ে ৪৩ এবং মাসে ৩ বার এখানকার মাটি কেঁপেছে। এবার ফেব্রুয়ারিতে সেই রেকর্ড ভাঙতে দেখে আতঙ্কের ছায়া পর্যটন শিল্পে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) সমীক্ষা রিপোর্ট সত্যি হতে চলেছে! বিআইএস দেশের নতুন আপডেট সিসমিক জোনেশন ম্যাপে দার্জিলিং থেকে সিকিম পুরো হিমালয় অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জোন সিক্স-এ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে রিখটার স্কেলে ৮ থেকে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সাড়ে চার ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ১৩ বার ছোট-বড় কম্পন রেকর্ড হয়েছে সিকিমে। কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরের বিভিন্ন এলাকায়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গিয়ালশিংয়ের ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৫৷ এর আগে এবং পরেও মৃদু ও মাঝারি ভূমিকম্প হয়েছে সোরেং ও গিয়ালশিং এলাকায়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৯ থেকে ৪.৬।
পরপর ঘটনায় দেখা যাচ্ছে গিয়ালশিং, ইউকসোম এবং রাবাংলা এলাকা ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু। বৃহস্পতিবার সকালে যে কম্পন অনুভূত হয়েছে সেটারও উৎসস্থল ছিল সিকিমের গিয়ালশিং এলাকা। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের উৎস ছিল বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬।





