‘SIR-এ মৃত’ ৬১ জনের পরিবারকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি। কোন জেলায় কতজন চাকরি পাচ্ছেন, সেই তালিকাও বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ্যে এনেছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া-১, বাঁকুড়া -১, নদিয়া -৩, পূর্ব মেদিনীপুর ৪, পশ্চিম মেদিনীপুর ৪, পূর্ব বর্ধমান ৫, হাওড়া ৩, মুর্শিদাবাদ ১১, উত্তর ২৪ পরগনা ২, কলকাতা ১, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৫, বীরভূম ৪, কোচবিহার ৩, উত্তর দিনাজপুর ৩, মালদহ ৫, দক্ষিণ দিনাজপুর ১ ও জলপাইগুড়ি থেকে ৫ জন চাকরি পাচ্ছেন।
এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল আগরপাড়ায়। এরপর টিটাগড়, নোয়াপাড়া, দত্তপুকুর, দেগঙ্গা, নৈহাটি, আমডাঙা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ অশোকনগরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআর আতঙ্কের অভিযোগ উঠেছে। নাগরিকত্ব-সহ ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়ার আতঙ্ক, মানসিক চাপে মৃত্যু বলেই অভিযোগ তুলেছিল সকল মৃতের পরিবার।
এসআইআর আতঙ্কে প্রথম আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর। পানিহাটি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপাড়া মহাজাতিনগরে বাসিন্দা বছর ৭৭-এর প্রদীপ করের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর ঘর থেকে। খড়দহ থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার সঙ্গে সুইসাইড নোট উদ্ধার করে। তাতে ‘আমার মৃত্যুর জন্য এনআরসি দায়ী’ লেখা থাকার ঘটনা জানাজানি হতেই পরিবারের দাবি করে, সদ্য ঘোষিত এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। এই রমক একের পর এক মৃত্যুর খবর আসতে থাকে।





