- Advertisement -spot_img
Homeরাজনীতিভোটের পর হোলি খেলবে বিজেপি, বঙ্গ জয়ে আত্মবিশ্বাসী নীতিন নবীন

ভোটের পর হোলি খেলবে বিজেপি, বঙ্গ জয়ে আত্মবিশ্বাসী নীতিন নবীন

- Advertisement -spot_img

ভোটের ফল বেরোলেই বাংলায় অকাল হোলি খেলবে বিজেপি। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে এমনই আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গেল বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা নীতিন নবীনের গলায়। রবিবার পরিবর্তন যাত্রার মঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ডাক দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘আমরা ৪ তারিখ একবার হোলি উদযাপন করব, আরেকবার ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পর আমরা জয়ের হোলির খেলব।’ বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এ দিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড় আর তোষণের রাজনীতির অভিযোগ তুলে সুর চড়ান তিনি।

রাজ্যের শাসকদলকে বিঁধতে গিয়ে নীতিন নবীন এ দিন অনুপ্রবেশকারী ইস্যুকে ঢাল করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এ রাজ্যে হিন্দুদের উৎসব পালন করতে গিয়ে বারবার আইনি জটিলতায় পড়তে হয়। নীতিন বলেন, ‘কালী পুজোর জন্যও আদালতের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু নমাজের সময়ে সত্বন্ত্রতা ছেড়ে দেওয়া হয়। এটাতেই স্পষ্ট, এখানে কী হচ্ছে।’ তাঁর দাবি, বাংলাকে এই তোষণের মানসিকতা থেকে মুক্ত করাই বিজেপির লক্ষ্য। এমনকি সীমান্তের কাঁটাতার দেওয়ার জন্য রাজ্য জমি না দিলেও তুষ্টিকরণের রাজনীতির জন্য ‘রেড কার্পেট’ বিছিয়ে দেওয়া হয় বলে তাঁর কটাক্ষ।

অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিতে গিয়ে বাংলার সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে এ দিন সোচ্চার হন নীতিন। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ অনুপ্রবেশকারীর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়া প্রমাণ করে যে তারা এতদিন এ দেশীয়দের চাকরির সুযোগ কেড়ে নিচ্ছিল। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য মাঝ রাতে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় যাওয়া যেতে পারে, কিন্তু এখানকার মা-বোনেদের ওপর যখন অত্যাচার হয়, তখন ঘুমোয় প্রশাসন।’

তৃণমূল জমানায় ‘কাটমানি’ আর দুর্নীতি সাধারণ মানুষের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তোপ দাগেন তিনি। বিহারের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, সেখানে এক কোটি মহিলাকে সরকারি প্রকল্পের টাকা দেওয়া হলেও এক টাকার দুর্নীতি হয়নি। অথচ বাংলায় প্রকল্পের টাকা নিতে তৃণমূল নেতারা মানুষের বাড়ি পৌঁছে যান বলে তাঁর অভিযোগ। শিক্ষা থেকে শুরু করে চাকরির বাজার, সর্বত্রই লুঠতরাজ চলছে বলে সরব হন তিনি।

বন্দে মাতরম বিতর্ক নিয়েও তৃণমূলকে ছেড়ে কথা বলেননি নীতিন। সংসদে বন্দে মাতরম গাওয়া নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির রেশ টেনে তিনি বলেন, তৃণমূল সাংসদরা বন্দে মাতরমের অপমান করেন। তবে এবার এই বন্দে মাতরম ধ্বনিই বাংলাকে রাজনৈতিক পরাধীনতা থেকে মুক্তি দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। সব মিলিয়ে কোচবিহারের সভা থেকে নীতিন নবীনের বার্তা স্পষ্ট,পরিবর্তনের হাওয়া বইছে বাংলায়, আর তার চূড়ান্ত উদযাপন হবে নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন জয়ের আবির খেলে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here