রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা ইতিমধ্যেই বেজে উঠেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের তরফে কবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ। তারই মধ্যে বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খরুণ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছাল কিছুটা স্বস্তির খবর। দীর্ঘ দিন ধরে তীব্র জলসংকটে ভুগতে থাকা খরুণ গ্রামের কামারপাড়া ও পুটটি গড়ে পাড়ার বাসিন্দারা অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই দুই পাড়ায় পানীয় জলের তীব্র সমস্যা ছিল। প্রতিদিন জল সংগ্রহ করতে দূরদূরান্তে যেতে হত এলাকাবাসীদের। বিশেষ করে গরমের সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠত। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গ্রামবাসীরা একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হন।গ্রামবাসীদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং খরুণ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মহাদেব সাহার কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। সে সময় তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন যে নির্বাচনের আগেই সমস্যার সমাধান করা হবে এবং যে জায়গা পর্যন্ত টাইম কল বসানোর কথা বলা হয়েছে, সেখান পর্যন্তই কাজ সম্পন্ন করা হবে।
এরপরই ওই এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হয় বলে দাবি গ্রামবাসীদের। টাইম কল বসানোকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসে। কাজের পথে কিছু প্রশাসনিক ও স্থানীয় সমস্যাও সামনে আসে বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সব বাধা কাটিয়ে নির্ধারিত জায়গা পর্যন্ত টাইম কলের কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অবশেষে দীর্ঘদিনের জলকষ্ট থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কামারপাড়া ও পুটটি গড়ে পাড়ার বাসিন্দারা। এলাকায় এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে পানীয় জলের পরিস্থিতি। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি দুই পাড়ার মানুষজন।এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এলাকাবাসীরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, খরুণ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মহাদেব সাহা এবং সংশ্লিষ্ট বুথ সভাপতিকেও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের জলসংকটের অবসান ঘটায় দুই পাড়ার মানুষের মুখে এখন স্বস্তির হাসি ফুটেছে। স্থানীয়দের আশা, ভবিষ্যতেও এভাবেই এলাকার উন্নয়নের কাজ অব্যাহত থাকবে।





