অতিরিক্ত ১০ নম্বর বাতিলের দাবিতে বিকাশ ভবনের সামনে সোমবার বিকেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে উত্তাল হল সল্টলেক। দুপুর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন সন্ধ্যা নামতেই রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। পুলিশ টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীদের। আটজন চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আপাতত বিকাশ ভবনের সামনের রাস্তা ফাঁকা করা হলেও আন্দোলনকারীরা এখনও অবস্থান করছেন সেন্ট্রাল পার্ক মেট্রো স্টেশনের কাছে।এসএসসি-র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইন্টারভিউয়ে ডাক না পাওয়ায় এ দিন আন্দোলনের ডাক দেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, অভিজ্ঞতা হিসেবে দেওয়া অতিরিক্ত ১০ নম্বর বাতিল করতে হবে।
প্রকাশ করতে হবে প্রত্যেকের ওএমআর শিট। পাশাপাশি নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শূন্যপদ বৃদ্ধিরও দাবি তোলেন তাঁরা। বিকাশ ভবনের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্লোগান চালানোর পর সন্ধ্যা নামতেই পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এক বিক্ষোভকারী শিক্ষক অভিযোগ করেন, পুলিশের আচরণ ছিল অমানবিক। আর এক চাকরিপ্রার্থী ক্ষোভে বলেন, ন্যায্য চাকরি চাইতেই এসেছিলাম, কিন্তু আচরণ মিলল অন্যরকম।উত্তেজনার মধ্যেই এ দিন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, শূন্যপদ বৃদ্ধির বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হোক। তারপরই আইনগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সার্বিক স্বচ্ছতার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, ডিসেম্বরের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেছেন, সব যোগ্য শিক্ষককেই চাকরি দিতে হবে, অন্য কোনো পথ নেই রাজ্যের কাছে। নতুন চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, ২০১৬ সালের ‘যোগ্য’ পরীক্ষার্থীরা এ বার অভিজ্ঞতার ১০ নম্বর পেয়ে এগিয়ে গিয়েছেন, অথচ নতুন প্রার্থীরা বঞ্চিত। তাই তাঁদের আবেদন,অতিরিক্ত নম্বর বাতিল হোক, কিংবা বাড়ানো হোক শূন্যপদ।





