বাংলায় তড়িঘড়ি এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনায় মুখর হয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এনিয়ে কমিশনের সঙ্গে যথেষ্ট দ্বন্দ্বও তৈরি হয়েছে। অবশেষে সেই চাপের কথা মেনে নিয়ে রবিবার বাংলা-সহ ১২ রাজ্যে ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় আরও বাড়াল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এরপরই সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনকে কার্যত একহাত নিলেন রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পার্থ ভৌমিকদের বক্তব্য, ”প্রমাণিত হল যে তৃণমূল এতদিন ধরে যা বলছিল, তা যুক্তিগ্রাহ্য। সেই কারণেই তো নির্বাচন কমিশন এই সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য হল।” এরপরও চন্দ্রিমার প্রশ্ন, ”কিন্তু তাড়াহুড়োয় কাজ করতে গিয়ে যে ৪০ জনের মৃত্যু হল, তার দায় কে নেবে?
রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, এসআইআরের প্রক্রিয়া হিসেবে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন ৪ ডিসেম্বর নয়, ১১ তারিখ। খসড়া ভোটার তালিকা ৯ ডিসেম্বরের বদলে ১৬ তারিখ এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও পরিবর্তিত হয়েছে। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারির বদলে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে সেই তালিকা। সময়সীমা বাড়ানোয় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বিএলও-রা।
এনিয়ে রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও সাংসদ পার্থ ভৌমিকের প্রতিক্রিয়া, ”তৃণমূল এসআইআরের বিপক্ষে নয়, কিন্তু পদ্ধতির বিপক্ষে। বারবার আমরা বলেছিলাম, এই কাজ ২ মাসে হয় না। আজ কমিশন সেই সময়সীমা বাড়িয়ে দিল। তাহলে প্রমাণিত হল তো যে আমরাই সঠিক কথা বলছিলাম?





