ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে ঘিরে আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানায়। ঘটনাটি ঘটেছে নামখানা ব্লকের মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াড়া এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম সেক আব্দুল আজিজ (৬২)। পরিবারের অভিযোগ, স্যার হেয়ারিং নোটিসের আতঙ্কে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেক আব্দুল আজিজের ছয় ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বর্তমানে ছয় ছেলে ও পুত্রবধূদের নিয়ে সংসার চালাতেন তিনি। পরিবারের সকলেরই বৈধ ভোটার কার্ড রয়েছে। এমনকি পরিবারের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আব্দুল আজিজ, তাঁর স্ত্রী, বড় ছেলে ও বড় বৌমার নাম স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত রয়েছে।
তা সত্ত্বেও সম্প্রতি স্যার প্রক্রিয়ার আওতায় ওই পরিবারের মোট ১১ জনকে হেয়ারিংয়ে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। এই নোটিস পাওয়ার পর থেকেই আব্দুল আজিজ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি। প্রবল দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিশ্বজিৎ নাইয়া, মৃতের পুত্রবধূ আক্তারন বিবি এবং স্ত্রী আলিয়া বিবি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও অকারণে হেয়ারিং নোটিস পাঠানোই এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য দায়ী।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।





